অভিযোগ পেয়ে গণমাধ্যম কর্মীরা পঞ্চগড়ের বিভিন্ন আশ্রয় প্রকল্প গুলো ঘুরে দেখার পর যা বললেন ভুক্তভোগীরা।তারা বলেন আমরা ঘরে ঢুকেই দেখতে পাই ঘরের চার কোনায় ফাটলের চিহ্ন।কিছুদিন যেতে না যেতেই ঘরের মেঝেতে ফাটল এবং গর্তে পরিণত হয়েছে ঘরের মেঝেগুলোতে। ভুক্তভোগীরা আরো বলেন এ বিষয়ে আমরা কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি কিন্তু কোন ফলাফল পাই নাই। এসব ঘর নির্মাণকারী বক্কর মিস্ত্রির অ্যাসিস্ট্যান্ট মোঃ শরিফুল ইসলাম, বলেন এসব ঘর
নির্মাণের রড সিমেন্ট ইট এমনকি পাথর হরি লুট করেছে বক্কর মিস্ত্রি, এছাড়াও যানা যায় সজন প্রতির মাধ্যমে তাকে একাই ৩০০ ঘর নির্মাণের কাজ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।ভুক্তভোগীরা বলছেন অল্প বৃষ্টি এলেই ঘরের ভেতরে পানি পড়ে মাঝ রাতে হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকতে হয় আমাদের।এমন নানান অভিযোগ পেয়ে গণমাধ্যম কর্মীরা পঞ্চগড় উপজেলা কর্তৃপক্ষের কাছে বক্তব্য চাইলে তারা কেউই বক্তব্য দিতে চান না।এদিকে আশ্রয় প্রকল্প- ২ এর ঘরে কপাল ফেটে চৌচির, ঘরে জ্বলছে লাল বাতি।
অনেকেই ভয়ে থাকতে চাচ্ছেন না এসব ঘরে। ঘর বিক্রি করে চলে গেছেন অনেকেই। ঘর প্রতি২ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা বরাদ্দের পরেও যখন ঘরে জ্বলছে লাল বাত্তি, তখন সবাইকে যেন দিল শুভংকরের ফাঁকি।অন্যদিকে ঘর রক্ষণাবেক্ষণ কর্মকর্তাআবু হানিফ, ও বক্কর মিস্ত্রি, আলাউদ্দিনের চেরাগ বাতি পেয়ে কেউ বানাচ্ছে চারতলা বাড়ি আবার কেউ কিনছে নামে বেনামে জমি।