খুলনার ডুমুরিয়ায় পতিত আওয়ামী সরকারের দোসর ইউপি চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত কুমার বৈদ্য কে প্রধান ও ২৫ জন সহযোগীকে আসামি করে বিস্ফোরণ দ্রব্য আইনে থানায় একটি মামলা হয়েছে। এ মামলায় প্রধান আসামি ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকলেও এজাহার নামীয় দুই আসামি কে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। আওয়ামী দোসর ও নিষিদ্ধ ঘোষিত কমিউনিস্ট পার্টির কতিপয় নেতা কর্মীদের চাঁদা দাবি,ঘের দখল, ককটেল বিস্ফোরণ ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বিএনপি জামায়াত নেতাকর্মীদের উপর হামলার ঘটনায় শোভনা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আনছার আলী মোল্লা বাদি হয়ে গত রবিবার মামলাটি দায়ের করেন। এদিকে মামলা দায়েরের পর বিভিন্ন অপরাধে জড়িত আওয়ামী দোসররা ভোল পাল্টে জামায়াত বিএনপির উপর ভর করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আবার কেউ কেউ এটিকে বাণিজ্যিক খাতে নিতে নানা অপকৌশল বেছে নিয়েছে বলেও একাধিক সূত্রে জানা গেছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়,২০১৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর বিকেলে বিগত সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপি জামায়াতের যৌথ ডাকে দলীয় সভা চলতে থাকে। শোভনা গাবতলা বাজারস্থ রেজাউল শেখের মার্কেটের দোতলার ছাদে মিটিং চলাকালীন সময় প্রধান আসামি শোভনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত বৈদ্যের হুকুমে একদল আওয়ামী দোসর ককটেল, দেশীয় পাইপগান, লোহার রড ও বাঁশের লাঠি নিয়ে অতর্কিত আক্রমণ চালায়। এসময় ককটেল বিস্ফোরণ ও ফাঁকা গুলি বর্ষণ করা হয় এবং ভাঙচুর করা হয় বিএনপি নেতাকর্মীদের একাধিক মটরসাইকেল। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে বিএনপি জামায়াত নেতাকর্মীদের কাছ থেকে চাঁদা,ঘের দখল,জমি দখল ছিল আসামিদের নিত্যদিনের কর্মকান্ড। ঘটনা প্রসঙ্গে মামলার বাদী আনছার আলী মোল্লা জানান, মামলার পর দেখছি নিষিদ্ধ ঘোষিত কমিউনিস্ট পার্টি ও আওয়ামী দোসরদের অনেকেই জামায়াত বিএনপির কাঁধে চেপে বসেছে। আবার এও দেখছি জামায়াত বিএনপির অনেক নেতারা তাদের বিভিন্ন ভাবে আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে আসছে।এই আশ্রয় প্রশ্রয় দাতারা দলের দূশমন বলে আমি মনে করি। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মনির হোসেন বলেন, ইতোমধ্যে মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি নজু ঢালী ও ব্রজেন রায় কে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনা প্রসঙ্গে ওসি মোঃ মাসুদ রানা বলেন, ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে বিস্ফোরণ দ্রব্য আইনে একটি মামলা হয়েছে। আসামি গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে, যে ভাবে হোক পলাতক আসামিদের খুঁজে বের করা হবে।
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি : খুলনার ডুমুরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় এনায়েত আলী মোল্লা (৪৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে খুলনা সাতক্ষীরা মহাসড়কে ডুমুরিয়া ফায়ার সার্ভিসের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মেছাঘোনা গ্রামের মৃত শরীতুল্লাহ মোল্লার ছেলে নন জুডিশিয়াল ¯ট্যাম্প বিক্রেতা এনায়েত আলী ঘটনার দিন বিকেলে নিজ কাজকর্ম সেরে ডুমুরিয়া বাজার থেকে মটরসাইকেল যোগে বাড়ি ফিরছিলেন।এ সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পিছন দিক থেকে একটি মালবাহী দ্রুতগামি ট্রাক তাকে আঘাত করলে রাস্তায় পড়ে বুক ও মাথা ফেটে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। এরপর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ডুমুরিয়া হাসপাতালে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সে উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মোল্লার ছোট ভাই।