রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
বইয়ের ওপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে কলকাতায় বিশাল মিছিল পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের আশ্বাস, গ্রামীণ উন্নয়নে জোর ও কর্মীদের সম্মানিক বৃদ্ধির ইঙ্গিত মানবসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি: সর্বোচ্চ সম্মানসূচক অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা ক্যাপিটাল গার্ডেন এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব জোরদার হয়েছে : হুমায়ুন ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাবের আন্তর্জাতিক কার্যনির্বাহী কমিটির সহ সভাপতি হলেন ভারতের ড. সৈয়দ খালিদ কায়েস  বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে মালদ্বীপের সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির সেবার মাধ্যমে সত্যিকার অর্থেই ‘জনগণের পুলিশ’ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফের মৃত্যুদণ্ড, অপর তিন আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নারীদের অপমানই–তৃণমূলের পতন- তাই বদলা নিতেই হয়তো চন্দ্রনাথকে খুন।

কলিকাতা প্রতিনিধি : / ১৪৩ টাইম ভিউ
আপডেট : রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫২ পূর্বাহ্ন

বৃহস্পতিবার, নারীদের অপমান ক্ষমা করল না জনগণ, তাই বিদায় নিতে হলো তৃণমূলকে, আর মাঝে একটা দিন বাকী, তারপর এই মন্ত্রীসভা গঠন।

যখন সারা বাংলায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি সকল কর্মীদের কোনরকম নির্দেশ দেন কোনরকম সংঘর্ষ না করতে জুলুম না করতে। এবং প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে, কোনরকম বিজয় মিছিল না করতে। জোর করে কোন দখল না করতে। ঠিক সেই মুহূর্তেই ফুটে উঠলো অন্য চিত্র,

যেই মুহূর্তেই সারা বাংলায় জয় শ্রী রামের জয়ধ্বনি, কর্মীরা উচ্ছ্বাসিত, গেরুয়া আবীরে ভরে গিয়েছে এলাকায় এলাকায়।

অন্যদিকে বাংলার পরিবর্তন হওয়ার সাথে সাথে, আরো একটি চিত্র ফুটে উঠল, যুবরাজ অভিষেক ব্যানার্জির বাড়ি ঘেরাও দখল, এখানে সাধারণ মানুষ পৌঁছাতে পারেনি, সেই জায়গায় সাধারণ মানুষ দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছে, যুবরাজের বাড়িতে ফুটে উঠল পদ্মফুল। কিন্তু তবুও তৃণমূল হার স্বীকার করতে রাজি নয়, এখনো বলে চলেছে আমরা হেরেছি নাকি? আমরা কোন কিছু ছাড়বো না। কিন্তু পরিবর্তন যে হয়ে গেছে সেটা সাধারণ মানুষ বুঝেছে। সারা বাংলায় শুধু পদ্মফুল। গেরুয়া পতাকা।

কিন্তু পরিবর্তনে, বদলা নিতেই চলে গেল একটি তরতাজা প্রাণ, ফেরা হলো না চন্দ্রশেখরের, রেখে গেলেন তার স্ত্রী ও বাচ্চাকে। বন্দুকের গুলিতে হাজরা করে দিল তরতাজা একটি প্রাণ। যিনি শুভেন্দু অধিকারীর পিএ হিসাবে সুনামের সাথে কাজ করতেন, তবে অনেকের মতামতের মধ্য দিয়ে উঠে আসে, এটিএকটি পরিকল্পিত খুন, এবং অনেক আগে থেকেই টার্গেট করা হয়েছিল চন্দ্রশেখর কে, তাই বুঝে ওঠার আগেই শেষ করে দিল। জনগণের দাবী খুনিদের খুঁজে বের করে চরমতম শাস্তি দেয়া হোক।। কেউ যেন ছাড়া না পায়।

অন্যদিকে সাধারণ মানুষ ও মহিলাদের দাবী– যাহারা নারীদের অপমান করে এই ভাবেই শেষ হতে হবে।

সরকার বদলাচ্ছে, পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু আমাদের দাবিগুলি নতুন সরকার যেন করা হাতে ব্যবস্থা নেয়।

নারীদের সুরক্ষা, স্কুল ও কলেজে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, গুণ্ডা ও মস্তানদের বিতাড়িত করা, নারীদের সম্মান দেওয়া, স্বাস্থকেন্দ্র গুলিতে স্বচ্ছতাই পরিণত করা , কোনরকম দালাল ও এজেন্ট যাতে না থাকে তার ব্যবস্থা নেওয়া, প্রশাসনের জুলুমবাজী , সাধারণ মানুষকে হয়রানি, তোলা তুলা, এবং গুন্ডা মস্তানদের প্রশ্রয় না দেওয়া, সাধারণ মানুষের পাশে থাকা এবং আপদে বিপদে সহযোগিতা করা, এলাকাগুলিতে সুন্দর পরিবেশ তৈরি করা,
এমনকি মোদি জি যে শর্তগুলি দিয়েছেন সেগুলি মানুষের কাছে কাছে পৌঁছে দেওয়া। বাস্তবায়িত করা। বিভিন্ন দপ্তরে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা। যাহাতে সাধারণ মানুষ গিয়ে বিপদের সম্মুখীন না হয়, তাহার প্রয়োজনীয় কাজটি সুষ্ঠুভাবে পায়। গ্রামের উন্নয়ন, রাস্তাঘাট জল নিকাশি ব্যবস্থা চাতে হয়।

মহিলারা যাতে রাস্তায় শান্তিতে চলাচল করতে পারে, বাবা মায়ের যাতে কোনরকম টেনশন না থাকে, নির্দ্বিধায় অফিস স্কুল থেকে বাড়ি ফিরতে পারে ,আমরা নতুন সরকারের কাছে এইটুকুনি আবেদন রাখি।

আরেকটি আমাদের অনুরোধ ও দাবি, যেভাবে মন্দিরে মন্দিরে পুজো দিতে গিয়ে বিভিন্নভাবে হ্যারেস হতে হয়, বিভিন্নভাবে পয়সা দিতে হয়, পুজোর নামে তোলাবাজি, সুষ্ঠ ভাবে পুজোর না দিতে দেওয়া, মাকে দর্শন না করতে দেওয়া, কোন কিছু রাখার নামে শুধু পয়সা নেওয়া এগুলি বন্ধ করতে হবে। মন্দির পূন্য স্থান, পুণ্য করতে দূর দুরান্ত থেকে আসে, তাই আমাদের আবেদন, স্বচ্ছতা রাখার।

১৫ বছরের যা দেখেছি দ্বিতীয়বার যেন সেটা না দেখতে হয়, নির্ভয়ে সবাই চলাচল করতে পারে এটাই আশা করব।

আজ বেশ কিছু মার্কেটে ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি ফুটতে দেখা যায়, যারা ভেবেছিলেন তৃণমূল করার দায় হয়তো আর ব্যবসা করতে দেবেন না, কিন্তু বিজেপি রাজ্য সভাপতির নির্দেশে এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তারা দোকান খুলে বসতে পারছেন, যেখানে দুদিন আগে গন্ডগোল হয়েছিল, যেখানে তৃণমূলের সমস্ত কিছু সরিয়ে বিজেপির পতাকা তুলে প্রধানমন্ত্রীর ছবি লাগিয়েছিলেন, সেই নিউ মার্কেট এলাকা আজ শান্ত।

মানুষ পরিবর্তন এনে দিয়েছে, ১৫ বছরের জ্বালা যন্ত্রণা থেকে মুক্ত হতে চেয়েছে, শান্তিতে থাকতে চেয়েছে, আর খুন খারাপী ধর্ষণ গুন্ডামি নয়, যেন সারা বাংলায় শান্তির বাণী ছড়ায়। শান্তিতে বসবাস করতে পারে ছেলে মেয়েদের নিয়ে, এটাই সাধারণ মানুষের ও নারী শক্তির আহ্বান সরকারের কাছে।

রিপোর্টার , সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর