গতকাল দুপুর তিনটেই কলেজ স্কোয়ারে জমায়েত হয়ে এক গন কনভেনশন করেন, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ছাত্রী থেকে শুরু করে আইনজীবী, নার্স, ডাক্তার একত্রিত হয়ে এবং বিকেল পাঁচটায় তারা কলেজ স্কোয়ার থেকে মহা মিছিল এস এন ব্যানার্জি রোড, ধর্মতলা ডরিনা ক্রসিং হয়ে কে সি দাস এর কাছে এসে অবস্থান বিক্ষোভ করেন। সমস্ত রাস্তা বন্ধ হয়ে যায় বেশ কিছুক্ষণের জন্য,
এই মহা মিছিল আসার আগেই পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন ডরিনা ক্রসিং এ, তাহারা ডরিনা ক্রসিং এর দু’ধারে পুলিশ ফোর্স দিয়ে ঘিরে দেন , যাতে কোন রকম গন্ডগোল না হয়। এবং শান্তি-শৃঙ্খল ভাবে মিছিল কে সি দাস এর কাছে পৌঁছায়।
ঠিক ডরিনা ক্রসিং এর উল্টো দিকে, ভারতীয় জনতা পার্টির ধর্মা মঞ্চ চলছে, মহামিছিলে যারা অংশগ্রহণ করেছিলেন ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে আইনের ছাত্র-ছাত্রীরা, তারা শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধিক্কার জানান তা নয়, বিজেপি কেউ ধিক্কার জানালেন, এবং অবিলম্বে বললেন বিজেপি তৃণমূল দূর হটো, বিজেপি তৃণমূল সেটিং ছাড়ো, আমরা কিছু মানবো না, আমরা দিদির বিচার চাই।
আজকের মিছিল থেকে তীর শুনলেন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে, বিন্দু অধিকারি থেকে সুকান্ত মজুমদারকে এবং পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকদের, আমরা কাউকেই ছাড়বো না দিদির বিচার না হওয়া পর্যন্ত, আমরা একটুকুও জমি ছাড়বো না, মিছিল কে সি দাসের সামনে পৌঁছানোর সাথে সাথে গোল ব্যারিকেট করে ঘিরে ফেলেন রাস্তার চতুর্দি এবং সেখানে তারা আন্দোলন করতে থাকেন।
কিছুক্ষণ আন্দোলন করার পর, তারা পরিষ্কার জানিয়ে দেন, আবার আমরা রাত নটায় ঠিক এই জায়গায় অবরোধ করবো। রাস্তা দখল করব, এখন পথ চলতি মানুষের কথা ভেবেই আমরা এই অবরোধ তুলে নিলাম। তারা গিয়ে গান্ধী মূর্তির সামনে জমায়েত থাকবেন। রাত নটার আন্দোলন পুনরায় করার জন্য। যতদিন না দিদির দোষীদের শাস্তি হচ্ছে ও বিচার হচ্ছে আমাদের আন্দোলন চলবে।
রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস , কলকাতা