মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি : পিরোজপুর নাসিং কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী আসমা আক্তার নানা বাড়ি বেড়াতে গিয়ে নানীকে বাঁচাতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে। হামলাকারিরা কলেজ ছাত্রীর চোখ উপড়ে ফেলার চেষ্টা চলায়। এ ঘটনায় ঝালকাঠি সিনিয়র জুডিসিয়ার আদালতে মামলা হয়েছে। আহত শিক্ষার্থী আসমা আক্তারের পিতা মঠবাড়িয়ার ছোট শিংগা গ্রামের বাসিন্দা বাদল সরদার শনিবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে স্থানীয় সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।বাদল সরদার জনান, তার নাসিং পড়–য়া মেয়ে আসমা আক্তার ফুপুকে নিয়ে গত ১০ জুলাই বাড়ি ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া থানার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের বলতলা গ্রামে নানা ইউসুফ আলী খানের বাড়ি বেড়াতে যায়। ১২ জুলাই তার নানার জমির ধানের বীজ (চারা) প্রতিবেশী মৃত. রশিদ সরদারের ছেলে নাসির সরদারের হাঁসে নষ্ট করে ফেলে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ১৩ জুলাই সকাল ১১ টার দিকে প্রতপক্ষরা ১ টি হাস খুঁজে পাচ্ছে না এবং অপর একটি হাঁসের ডানা ভেঙেছে এমন অভিযোগে আমার শ^াশুড়ী জামিলা বেগমকে প্রতিপক্ষ নাসির সরদার (৪০) ও তার ছেলে রবিউল (১৯) বেধরক মারধার করে। এসময় আমার মেয়ে আসমা নানীকে বাঁচাতে গেলে তাকে উপর্যপুরী ঘুষি ও লাথি মেরে মাটিতে ফেলে চোখ উপড়ে ফেলার চেষ্টা করে। তাদের আত্মচিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারিরা হুমকি দিয়ে বীরদর্পে চলে যায়। পরে আহতদের উদ্ধার করে কাঠালিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় তিনি গত ৩০ জুলাই নাসির সরদার ও তার ছেলে রবিউললের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন।ঝালকাঠি সিনিয়র জুডিসিয়াল আদালতে আইনজীবী মো. মঞ্জুর হোসেন মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে কাঠালিয়া থানার ওসিকে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দেন।