দেশে পিয়াজ রসুনের দাম বেশী হওয়ায় নীলফামারীর জলঢাকায় পিয়াজ রসুন চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। বৃহস্পতিবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখাযায় মাঠে মাঠে পেঁয়াজ রসুন লাগানের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। উপজেলার ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের বুড়ি তিস্তা চর এলাকার কৃষক আব্দুল আজিজ, নজরুল কুদ্দুস, বলেন,আমরা গতবার চেয়ে এ বছরে বেশি করে পেঁয়াজ, রসুনের চাষ করছি। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকেরা বলেন, গতবারের চেয়ে এবার সার বীজ, কৃশান সহ বীজের দাম অনেক বেশি,।তাছাড়া এক একর জমিতে মুড়িকাটা পিয়াজ চাষ করতে গেলে জমি চাষ দেওয়া সার বীজ ঔষধ, সেচ কামলা কৃষাণ থেকে শুরু করে বাজারজাত করা পর্যন্ত প্রায় ২৫০০ টাকা পর্যন্ত খরচ লেগে যায়। আর এক একর জমিতে রসুন চাষ করতে গেলে ২০৬০ থেকে ৩৩০০ টাকা পর্যন্ত খরচ লেগে যায় তারা এটাও বলেন মুড়ি কাটা পিয়াজ যদি ফলন ভালো হয় তাহলে তাহলে একর প্রতি ১৮০ মন থেকে ২০০ মন পর্যন্ত ফলন হয়ে থাকে। আর রসুনের ফলন যদি ভাল হয় ১৪০ মন থেকে ১৬০ মন পর্যন্ত ফলন হয়ে থাকে। কৃষকেরা আরো বলেন এবার বেশি করে পেঁয়াজ রসুন চাষ করছি ভালো ফলন ও দাম পাবার আশায় । কৃষকরা আরো বলেন যে মুড়িকাটা পিয়াজের সাথে সাথে দানা পিয়াজের চাষ করব যাতে করে আগামী বছরে গুটি পিয়াজ ও আলি পেঁয়াজের সংকট না হয় । বড় তিস্তার চর এলাকার কৃষক শাহ আলম বলেন মুড়ি কাটা পেঁয়াজ চাষ করতে গেলে একর প্রতি ১৮ হাজার টাকা থেকে শুরু করে প্রায় ৩৬ হাজার টাকার বীজ লাগে । এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কৃষি অফিসার জানান, এই উপজেলায় ১৫০০ হেক্টর জমিতে মুড়ি কাটা পিয়াজ ১৭০ হেক্টর জমিতে আলি পিয়াজ,দানা পিয়াজ ৬ হেক্টর জমিতে, এবং ১৪৫০ হেক্টর জমিতে চাষ হবে বলে লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ বলেন এই উপজেলায় কৃষকদের মাঝে পিয়াজ রসুন চাষে কৃষি পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এবং বিগত বছরের চাইতে এ বছর পিয়াজ রসুনের দাম বেশি হয়েছে।তবে তিস্তার চর এলাকায় বেশী পিয়াজ রসুন চাষ হচ্ছে।তিনি আরো বলেন সরকারি ভাবে কৃষকদের জন্য কোন প্রকার সহায়তা আসে কৃষকদের মাঝে তা প্রদান করা হয়ে থাকে।