পঞ্চগড় জেলার ঘোষিত মহিলা ডন সাবেক পৌর মেয়র জাকিয়া খাতুন’ রাতের ভোটে মেয়র। বর্তমানে মামলার আসামি হওয়ায় পালাতক। তিনি পৌর মেয়র থাকা অবস্থায় ড: আবেদা হাফিজ কলেজ এন্ড স্কুলের সহকারী শিক্ষক হিসেবে বেতন নিয়েছেন এবং পৌরসভার মেয়র হিসেবে বেতন নিয়েছেন। গত ৬ মাস ধরে পালাতক। তিনি মামলার আসামি। তার প্রতিষ্ঠান প্রধান জানান, তিনি অসুস্থতা জনিত ছুটিতে। আওয়ামী লীগ এর দোসর হয়ে এখনও সরকারী বেতন হরন করে চলেছেন। পঞ্চগড় জেলা শিক্ষা কর্মকতা ও জেলা প্রশাসন অজ্ঞাত কারনে নিশ্চুপ। বিষয়টি হাস্যকর। একজন পালাতক আসামি কে প্রধান শিক্ষক কিভাবে ছুটি দিলেন, বিষয়টি বোধগম্য নয়। মাননীয় জেলা প্রশাসন সরকারি কোষাগারের অর্থ অপচয়! ছাত্ররা দীর্ঘ কত বছর শিক্ষা বঞ্চিত মানুষ জানতে চায়? প্রধান শিক্ষক জানান বর্তমান সভাপতি জেলা প্রশাসনের এনডিসি। তিনি বিষয়টি জাকিয়া খাতুনের একি সাথে ২ কর্ম স্থলে বেতন নেবার বিষয়টি বৈধতা দিয়েছেন! প্রশ্ন হলো এ বৈধতা কি? কত টাকা র বিনীময়ে অথবা আইন স্বীদ্ধ কি না? একি ব্যক্তি দুই জায়গায় দায়িত্বরত! এটা কি ভাবে সম্ভব? আর যদি বৈধ হয়েই থাকে, প্রশাসন এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারী করছে না কেন? এ ছাড়াও জাকিয়া খাতুন সাবেক মেয়র বিগত আওয়ামী লীগ এর আমলে কি কি দূর্নীতি করেছেন তার খতিয়ান এখনো কেন প্রকাশিত হয়নি? পঞ্চগড় পৌরসভার সামনে একটি মার্কেট নির্মাণ হয়েছে কয়েক কোটি টাকার বিনিয়োগে। সরকারি অর্থে যা জনগনের টাকায় নির্মিত। গত ৩ বছর এটা কাজ সম্পন্ন হলেও, এখনো চালু হয়নি।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানান, এ মার্কেট এর ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ছিলেন আওয়ামী মদদপুষ্ট। কাজেও রয়েছে মহা অনিময় দূর্নীতি। ভাগবাটোয়ারা করেই কাজ অধা সমাপ্ত করা হয়েছে। বিশ্বস্ত সুত্রে পাওয়া, জাকিয়া খাতুন একজন স্কুলের সহকারী শিক্ষক মাত্র।পঞ্চগড় জেলা শহরে তার প্রায় ১০ কেটি টাকার আলীশান ইমারত। যার ড্রইং রুমে নৌকা আকৃতি দিয়ে বানানো ড্রইং টেবিল। একজন বেসরকারি সহকারী শিক্ষক এর বেতন সর্বোচ্চ ২২ হাজার। তার এত ঠাটবাট এর উৎস কি? সাবেক আওয়ামী পঞ্চগড় সাংসদ ও আওয়ামী কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এর সাথে তার বিশেষ সম্পর্কে এত কিছু সম্ভব বলে দাবি করেছে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জাকিয়া খাতুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাকে মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়নি। নির্ভরশীল সুত্র জানায়, স্বৈরাচারী জাকিয়া খাতুনের দূর্নীতির ডান হস্ত পঞ্চগড় পৌরসভার বড়বাবু নামে খ্যাত হুমায়ুন, তাকে এখনো বাঁচানোর চেষ্টায় অবিরত। এ বিষয়ে পঞ্চগড় জেলা শিক্ষা কর্মকতার সাথে কথা বলাহলে, তিনি কথা বলতে রাজি হন নাই। বিষয়টি যেন ষরিষার ভিতর ভুত। তবে দাম্ভিকতার সাথে বেলছেন, যা খুশি লেখেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানান, এই শিক্ষা কর্মকতা তার মাসহারায় তাকে অপরাধ থেকে আড়ালের চেষ্টায় রত। আমরা আগামী অনুসন্ধানে কে এই বড় বাবু হুমায়ুন, তার অর্থ সম্পদ ও অনিয়ম দূর্নীতি নিয়ে অতি শীগ্রই আসছি। এ রিপোর্ট লখা পর্যন্ত স্বৈরাচারী স্বাশকের মদদপুষ্ট জাকিয়া পালাতক রয়েছে। পঞ্চগড় সদর থানা অফিসার ইনর্চাজ এস এস মাসুদ পারভেজ জানান, উক্ত জাকিয়া খাতুন বিরুদ্ধে মামলার কারনে তার, এন আইডি ও টেলিফোন নম্বারে তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানান, তার বড়বাবু নাম খ্যাত হুমায়ুম কে আইনের আওতায় আনলে এই দূর্নীতি বাজ জাকিয়াকে আইনের কাঠগড়ায় আনা সম্ভব হবে।