শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠ থাকলে অনেক সমস্যা দূর হয়ে যায় : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. মঈন খান দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে দুদককে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মাননীয়’ সম্বোধন পরিহারের সিদ্ধান্ত নিজের দপ্তর থেকেই বাস্তবায়ন শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা ও অবক্ষয়মূলক কনটেন্ট প্রতিরোধই সরকারের লক্ষ্য: তথ্যমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির কৃষকদের ৫ বছরের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ চালিত পানির পাম্প দেওয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী শিবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  মোবাইল চুরি, আনসারের তৎপরতায় ফোন উদ্ধার—যুবক আটক ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডেক্স রিপোর্ট : / ৬০ টাইম ভিউ
আপডেট : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৮ অপরাহ্ন

নদীদূষণ এখন দুর্বিষহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আমাদের জবাবদিহি করতে হবে বলেছেন,প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।তিনি বলেন, নদী দূষণ রোধে কঠোর ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে কোনো ধরনের অবহেলার সুযোগ নেই। কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের পাশাপাশি এর কার্যকর বাস্তবায়নও নিশ্চিত করতে হবে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘বুড়িগঙ্গা নদীর পানি ও পরিবেশ উন্নয়ন’ শীর্ষক এক বৈঠকে তারেক রহমান এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ কথা জানান। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বুড়িগঙ্গাসহ রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর দূষণ রোধে দ্রুত একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন। এ সময় বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা এবং রাজধানীসংলগ্ন অন্যান্য নদীর বর্তমান পরিবেশগত অবস্থা, দূষণের উৎস, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।বিশেষ করে বৈঠকে শিল্পকারখানার অপরিশোধিত বর্জ্য নদীতে নিঃসরণ, অপর্যাপ্ত পয়ঃনিষ্কাশন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খালগুলোর নাব্যতা হ্রাস এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাকে নদীদূষণের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
এছাড়া বৈঠকে নদীদূষণ রোধে শিল্পকারখানায় বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) কার্যকরভাবে পরিচালনা নিশ্চিত করা, খাল ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, দূষণকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিদ্যমান পরিবেশ আইন কার্যকরভাবে প্রয়োগ এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।
সভায় পরিবেশ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, ঢাকা ওয়াসা, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), রাজউক, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার মধ্যে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী এ কার্যক্রমে পরিবেশবাদী সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করার নির্দেশ দেন।
এদিকে বৈঠকে রাজধানীর চারপাশের নদীদূষণ রোধে একটি সমন্বিত ও সময়বদ্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে একটি আন্তঃসংস্থা সমন্বয় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ কমিটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার কার্যক্রম সমন্বয় এবং নির্ধারিত সময় অন্তর অগ্রগতি পর্যালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রতিবেদন দাখিল করবে বলে জানান উপ-প্রেস সচিব।বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, ঢাকা নৌ এলাকার কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আবদুল্লাহ-আল-মাকসুস, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ. বি. এম. আব্দুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর