রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
বইয়ের ওপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে কলকাতায় বিশাল মিছিল পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের আশ্বাস, গ্রামীণ উন্নয়নে জোর ও কর্মীদের সম্মানিক বৃদ্ধির ইঙ্গিত মানবসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি: সর্বোচ্চ সম্মানসূচক অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা ক্যাপিটাল গার্ডেন এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব জোরদার হয়েছে : হুমায়ুন ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাবের আন্তর্জাতিক কার্যনির্বাহী কমিটির সহ সভাপতি হলেন ভারতের ড. সৈয়দ খালিদ কায়েস  বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে মালদ্বীপের সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির সেবার মাধ্যমে সত্যিকার অর্থেই ‘জনগণের পুলিশ’ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফের মৃত্যুদণ্ড, অপর তিন আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নওগাঁর সাপাহারে ৩ হাজার ৮ শত ৫০ হেক্টর জমিতে গমের চাষাবাদ! বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

নয়ন বাবু, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি: / ১৭৫ টাইম ভিউ
আপডেট : রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২১ পূর্বাহ্ন

কৃষি প্রধান দেশ আমাদের এ সবুজ শ্যামল বাংলাদেশ। বিভিন্ন ঋতুতে বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন হয় আমাদের এ দেশে। চলতি মৌসুম চলছে গম চাষের। আর এরই ধারাবাহিকতায় শস্যভাণ্ডার খ্যাত নওগাঁর সাপাহারে এই মৌসুমে গমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন গমচাষীরা।
অতিরিক্ত কৃষি অফিসার মনিরুজ্জামান টকি বলেন, চলতি মৌসুমে সাপাহার উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে ৩ হাজার ৮ শত ৫০ হেক্টর জমিতে গমের চাষাবাদ হচ্ছে। ব্যাপক ফলন সহ ভালো দামের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এলাকার গমচাষীরা। তিনি আরোও বলেন, বর্তমান সময়ে গমের ব্লাষ্ট রোগের সম্ভাবনা থাকলেও নাটিভো,থিওভিট,প্রভেক্স ইত্যাদি দ্বারা গমের বীজ শোধন করা হচ্ছে। যার ফলে এই ধরণের রোগ গমকে আক্রমন করতে পারবেনা। আর এই কারনে এটির উপর ভিত্তি করে চলতি মৌসুমে গমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন এলাকার কৃষক মহল ।চলতি বছরে প্রতি হেক্টরে প্রায় সাড়ে ৪ মেট্রিকটন গমের ফলন হতে পারে বলে জানিয়েছেন সাপাহার উপজেলা কৃষি অধিদফতর। এ ব্যাপারে উপজেলার অনেক গমচাষীদের সাথে কথা হলে তারা জানান, ‘চলতি মৌসুমে উপজেলা কৃষি অধিদফতরের বিভিন্ন সহযোগীতা ও পরামর্শের ফলে গমের রোগ বালাই নাই বললেই চলে। যাতে করে আমরা এ বছর প্রতি বিঘায় ১৫ থেকে ১৭ মন গম পাব বলে আশা করছি’।মাটির অনুকূলতার কারনে এই উপজেলায় প্রায় সব ধরণের ফসল উৎপাদন হয়। যার ফলে সারদেশের উত্তরাঞ্চলের এই জেলা শস্যভাণ্ডার হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছে। সব মিলিয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এই বছর উপজেলার প্রত্যেক অঞ্চলে গমের বাম্পার ফলন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এলাকার গম চাষীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর