সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
আশুলিয়ায় মরহুম মীর আনাম আলী ও আনোয়ারা মোতালেব স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বইয়ের ওপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে কলকাতায় বিশাল মিছিল পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের আশ্বাস, গ্রামীণ উন্নয়নে জোর ও কর্মীদের সম্মানিক বৃদ্ধির ইঙ্গিত মানবসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি: সর্বোচ্চ সম্মানসূচক অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা ক্যাপিটাল গার্ডেন এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব জোরদার হয়েছে : হুমায়ুন ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাবের আন্তর্জাতিক কার্যনির্বাহী কমিটির সহ সভাপতি হলেন ভারতের ড. সৈয়দ খালিদ কায়েস  বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে মালদ্বীপের সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির সেবার মাধ্যমে সত্যিকার অর্থেই ‘জনগণের পুলিশ’ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফের মৃত্যুদণ্ড, অপর তিন আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড

গণঅভ্যুত্থানের চেতনার সঙ্গে সর্বপ্রথম বেইমানি করেছেন জামায়াত আমির : রাশেদ

বিশেষ প্রতিনিধি : / ১০৩ টাইম ভিউ
আপডেট : সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩০ অপরাহ্ন

গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনার সঙ্গে সর্বপ্রথম বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বেইমানি করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। শনিবার সকালে নিজ গ্রাম ঝিনাইদহের ঐতিহ্যবাহী মুরারীদহ মিয়ার দালান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যখন অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে রেখেছিল, তখন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানকে জেলে নেওয়া হয়েছিল এবং তাকে বন্দি ও নিপীড়ন করা হয়েছিল। এ কারণে তিনি একসময় শফিকুর রহমানকে মজলুম নেতা হিসেবে মনে করতাম। তবে গণঅভ্যুত্থানের পর ডা. শফিকুর রহমানের আসল চেহারা সামনে এসেছে বলে মন্তব্য করেন রাশেদ। তাঁর অভিযোগ,গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে আওয়ামী লীগকে সর্বপ্রথম সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছেন জামায়াতের আমির। এ কারণেই তিনি মনে করেন, গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সর্বপ্রথম বেইমানি করেছেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি জামাতের বর্তমান কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া জামায়াত আমিরের নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খাঁন। রাশেদ খান বলেন, ডা. শফিকুর রহমান জীবিত থাকা অবস্থায় তাঁর নেতৃত্বে মগবাজারের তালা পর্যন্ত খোলা যায়নি। অথচ এখন বলা হচ্ছে, তিনি বিএনপির পতন ঘটিয়ে দেবেন। জামায়াতের আরেক নেতা ডা. আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন রাশেদ। তিনি বলেন, জামায়াতের এই প্রভাবশালী নেতা বিদেশিদের সঙ্গে বৈঠক করে বলেছিলেন, তারা শরিয়া আইন কায়েম করবে, এমন কথা তারা কোথাও বলেনি। এমনকি জামায়াতের নির্বাচনী ইশতেহারেও ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন কায়েম করার কথা উল্লেখ নেই বলে দাবি করেন তিনি। জামায়াতের বিরুদ্ধে ইসলামকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের অভিযোগ তুলে রাশেদ বলেন, জাতীয় সংসদে প্রতিদিন মানুষকে আইওয়াশ করার জন্য তারা কোরআনের আইন, আল্লাহর আইন ও শরিয়া আইনের কথা বলছে। দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তন প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, বাংলাদেশের যতটুকু পরিবর্তন হয়েছে, তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে এবং পরবর্তীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে যদি পরিবর্তন আসে, সেটি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বেই হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর