বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশীয় প্রযুক্তির ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন প্রস্তুতকারকদের সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামালের মামার মৃত্যুতে গভীর শোক তৃণমূলে সংগঠন শক্তিশালী রাখতে রংপুর বিভাগের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী

সাতক্ষীরার আশাশুনি সরকারি কলেজের আরও ৫ শিক্ষককে রাজস্বখাতে নিয়োগ

আশাশুনি প্রতিনিধি : / ১৭২ টাইম ভিউ
আপডেট : বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪২ অপরাহ্ন

আশাশুনি প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি সরকারি কলেজে আত্ত্বীকরণ বিধিমালায় আরও ৫ শিক্ষককে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ সচিবালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপ-সচিব মোছাঃ রোকেয়া পারভিন রাস্ট্রপতির আদেশক্রমে এক প্রজ্ঞাপনে জানাগেছে, সরকারিকৃত আশাশুনি কলেজে বেসরকারি থাকাকালে কর্মরত ৪ শিক্ষককে সরকারিকৃত কলেজ শিক্ষক ও কর্মচারী আত্ত্বীকরন বিধিমালা মোতাবেক সরকারি করণের তারিখ হতে উক্ত কলেজে বর্ণিত পদে বিভিন্ন শর্তে রাজস্ব খাতে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন, মুহাম্মদ আব্দুস সবুর (উপাধ্যক্ষ, নন ক্যাডার প্রশাসনিক), শিরিন বাহার ( প্রভাষক, নন ক্যাডার ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি), সুলতানা তুরিনাজ পারভিন (প্রভাষক, নন ক্যাডার গণিত), মোঃ হাফিজুল ইসলাম (প্রভাষক, নন ক্যাডার ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি) ও উম্মে হাবিবা নাছরিন জাহান (প্রভাষক, নন ক্যাডার ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি)। উল্লেখ্য, কলেজটি সরকারি করণের পর থেকে এ পর্যন্ত এনিয়ে ৬৩ জন শিক্ষক ও কর্মচারীকে রাজস্ব খাতে অস্থায়ী ভাবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। বাকী ৬ জনের নিয়োগে জটিলতা রয়েছে, যা পদ সৃজনের অপেক্ষায়। বেসরকারিকালীন অধ্যক্ষ রুহুল আমিন পরিচালনা কমিটি, শিক্ষকমন্ডলী ও হিতাকাংক্ষীদের সহযোগিতায় কলেজের কল্যাণে কলেজটি সরকারি করণের কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম হন। তিনি অবসর গ্রহনের পর কলেজে দায়িত্বে আসা অধ্যক্ষের অদূরদর্শিতা, খামখেয়ালীপনা ও উদাসিতার কারনে কলেজের অগ্রযাত্রা থমকে দাড়ায়। অস্থিরতার মধ্যে কলেজ খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলার পর তিনি বদলী হয়ে গেলে আশীর্বাদ হয়ে নতুন অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ যোগদান করায় ফিরে আসে কলেজের প্রানচাঞ্চল্যতা। উচ্ছ্বাস ও প্রানবন্ত পরিবেশ ফিরে পেয়ে সার্বিক উন্নয়নের মধ্য দিয়ে কলেজের সার্বিক চিত্র অভাবনীয় পরিবর্তন ঘটে। কয়েক মাসের মধ্যে কলেজ ও ক্যাম্পাসে আমুল পরিবর্তন ও শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি-উন্নতি প্রশংসনীয় পর্যায়ে উপনীত হয়। শিক্ষকদের মধ্যে সুশৃঙ্খলতা দর্শনীয় পর্যায়ে পৌছে। অধ্যক্ষের দুরদর্শী পদক্ষেপে শিক্ষকদের আত্তীকরন বিধিমালার আলোকে রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্তি থমকে থাকা কার্যক্রম পত পত করে জটিলতার ছিন্ন পার হতে শুরু করে। এরপর ক্রমে ক্রমে এই সংখ্যা বাড়তেই শুরু করে। এখন আর মাত্র ৬ জনের পদ সৃজন সম্ভব হলে কলেজের শিক্ষক কর্মচারীদেরকে যে জটিলতায় জালে জড়ানো হয়েছিল তার পরিসমাপ্তি ঘটবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর