রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
বইয়ের ওপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে কলকাতায় বিশাল মিছিল পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের আশ্বাস, গ্রামীণ উন্নয়নে জোর ও কর্মীদের সম্মানিক বৃদ্ধির ইঙ্গিত মানবসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি: সর্বোচ্চ সম্মানসূচক অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা ক্যাপিটাল গার্ডেন এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব জোরদার হয়েছে : হুমায়ুন ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাবের আন্তর্জাতিক কার্যনির্বাহী কমিটির সহ সভাপতি হলেন ভারতের ড. সৈয়দ খালিদ কায়েস  বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে মালদ্বীপের সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির সেবার মাধ্যমে সত্যিকার অর্থেই ‘জনগণের পুলিশ’ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফের মৃত্যুদণ্ড, অপর তিন আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

মিরপুরে স্কুলের আড়ালে এমএলএম ব্যবসার অভিযোগ, হেলথ কার্ডের নামে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের দাবি

বিশেষ প্রতিনিধি র.ই.জাকির:  / ৯৫ টাইম ভিউ
আপডেট : রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন

রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বরের স্বর্ণপট্টি এলাকায় ‘বিএম ইন্টারন্যাশনাল স্কুল’ নামের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ঘিরে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় অভিভাবক, শিক্ষক ও এলাকাবাসীর বক্তব্যে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার পরিবেশ, শিশুদের নিরাপত্তা, শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মো. বশির উদ্দিন স্থানীয়ভাবে যিনি ‘বসির মাস্টার’ নামে পরিচিত। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির দাবি, তিনি মিরপুর-১০ হোপ এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাস সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা কাজি জহিরুল ইসলাম মানিকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও ক্যাশিয়ার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। স্কুলে অধ্যায়নরত শতাধিক শিশুর নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত প্রতিষ্ঠানটির পরিবেশ চিত্র তাহা বলে দিবে। শ্রেণিকক্ষ, বাথরুম, বারান্দা ও ভবনের বিভিন্ন অংশের পরিচ্ছন্নতা এবং রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
অভিভাবকদের প্রশ্ন—যে ভবনে প্রতিদিন শতাধিক কোমলমতি শিশু দীর্ঘ সময় অবস্থান করছে, সেটি স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ না, ভবনের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা, জরুরি বহির্গমন ব্যবস্থা, বৈদ্যুতিক সংযোগ, স্যানিটেশন এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ও পরিদর্শনের দাবি উঠেছে অভিভাবকদের। কয়েকজনের দাবি, তাদের পাওনা দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, জীবিকার তাগিদে দায়িত্ব পালন করলেও নিয়মিত বেতন না পাওয়ায় তারা আর্থিক সংকটে পড়েছেন। ভর্তি কার্যক্রম ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন কয়েকজন শিক্ষকের। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায়কৃত ভর্তি ও অন্যান্য ফি কোন হিসাবে জমা হয়, কীভাবে ব্যয় হয় এবং প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ করা হয় কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর চান শিক্ষকরা। ৫ আগষ্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনার আড়ালে স্বাস্থ্য সেবার নামে নিষিদ্ধ ঘোষিত এমএলএম ব্যবসা শুরু করেন। মাঠ পর্যায়ে হাজার হাজার গ্রাহকদের নিকট হতে   টাকা উত্তোলন করেছে কিন্তু আজ পর্যন্ত কোন গ্রহককে হেলথ কার্ড বিতরণ করে নাই। সম্পূর্ণ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে তার সাথে যে সকল কর্মকর্তাগণ চাকুরীতে নিয়োজিত ছিলেন তাহাদেরকে তার প্রতিষ্ঠান প্রত্যয় স্মার্ট হেলথ কেয়ার লিমিটেড এর পরিচালক তৈরি করণে জনপ্রতি দুই লক্ষ টাকা দাবি করেন ‌। তাহারা টাকা দিতে অপরাগত হওয়ায় সকল কর্মকর্তাকে কোন ধরনের বেতন না দিয়ে তার সংস্থা প্রত্যয় স্মার্ট হেলথ কেয়ার লিমিটেড থেকে ছাটাই করে দেন। আরো জানা গেছে প্রত্যয় স্মার্ট হেল্থ কেয়ার লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে উক্ত পদে অধিষ্ঠিত হন কিন্তু এখন পর্যন্ত বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিবন্ধনে অন্তর্ভুক্ত করেন নাই। এছাড়া কর্মকর্তাগণ অসংখ্য গ্রহকের মাসিক ডিপিএস করে দিয়েছেন কিন্তু অদ্যবাদী কোন গ্রহককে দলিল হস্তান্তর করিতে পারে নাই ‌।সম্পূর্ণ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন। অভিযোগের বিষয়টি শতভাগ সত্য তা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর, শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষ, সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। অনতিবিলম্বে
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আড়ালে গড়ে তোলা এমএলএম ব্যবসা বন্ধ করে দোষীকে আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক নতুবা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত স্বাস্থ্য সেবা মূলক হেলথ কার্ড এর নামে কলঙ্কের কালিমা পড়িয়ে দিতে পারে ঐ সকল আওয়ামী ফ্যাসিবাদী দোসোর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর