বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশীয় প্রযুক্তির ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন প্রস্তুতকারকদের সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামালের মামার মৃত্যুতে গভীর শোক তৃণমূলে সংগঠন শক্তিশালী রাখতে রংপুর বিভাগের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী

খাল আমাদের প্রাণ”-কলাপাড়ায় খাল দখল-দূষণ রোধে তিন সংগঠনের দাবি

এস এম আলমগীর হোসেন, কলাপাড়াঃ / ৬৬ টাইম ভিউ
আপডেট : বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন

সোমবার বিকেলে আন্ধারমানিক নদীর তীর সংলগ্ন এলাকায় “ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)”, “পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন, কলাপাড়া” ও “আমরা কলাপাড়াবাসী” স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)” কলাপাড়া উপকূলীয় অঞ্চল সমন্বয়কারী মেজবাহউদ্দিন মাননু বলেন, খাল-নদী বেষ্টিত সাগরঘেষা কলাপাড়া উপজেলার অধিকাংশ মানুষের প্রধান পেশা কৃষি ও মৎস্য শিকার। এই অঞ্চলের কৃষিকাজ, নিত্যদিনের প্রয়োজনীয়তা ও জীবিকার অন্যতম উৎস খালের পানি। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে খাল ভরাট, দখল ও দূষণের কারণে মিঠা পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।তিনি আরো বলেন, ৬০-এর দশকে জলোচ্ছ্বাস ও লোনা পানির আগ্রাসন ঠেকাতে বেড়িবাঁধ ও সুইসগেট নির্মাণ করা হলেও বর্তমানে এর বিরূপ প্রভাব দেখা দিয়েছে। খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। একদিকে পলিতে খাল ভরাট, অন্যদিকে জমির মালিকরা সেই জায়গা দখল করে চাষাবাদ, পুকুর ও বসতবাড়ি নির্মাণ করেছেন। ভূমি অফিসের অনিয়ম ও উদাসীনতার কারণে এসব দখলদারিত্ব এখনও চলছে।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ইতোমধ্যে অন্তত দুই শতাধিক খাল নিশ্চিহ্ন হয়েছে। তহশিল অফিসের অনীহায় ভরাট খালগুলো এখন কৃষিজমি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এমনকি গুরুত্বপূর্ণ খালগুলো সরকারিভাবে মাছ চাষের নামে লিজ দিয়ে সাধারণ মানুষের ব্যবহার থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছে।বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের পুনর্খনন প্রকল্পে স্থানীয় কৃষক ও কৃষি বিভাগের মতামত না নেওয়ায় প্রয়োজনীয় খাল পুনর্খনন হয়নি। ফলে সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও কাঙ্ক্ষিত সুফল মিলছে না। আরও বলেন, কুয়াকাটা পৌরসভার লতাচাপলী মৌজার দেড় একর খাস খতিয়ানের একটি খাল নবোদয় হাউজিং নামে একটি প্রতিষ্ঠান ভরাট করে দখল করে নিয়েছে। কিন্তু এখনো সরকারি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন “ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)” কলাপাড়া উপকূলীয় অঞ্চল সমন্বয়কারী মেজবাহউদ্দিন মাননু, “পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন, কলাপাড়া” সমন্বয়কারী নজরুল ইসলাম, “আমরা কলাপাড়াবাসী” সভাপতি নাজমুস সাকিব প্রমুখ।বক্তারা কলাপাড়া ও কুয়াকাটার খালগুলো রক্ষায় সরকারি কার্যকর পদক্ষেপ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির দাবি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর