যশোরের কেশবপুরে অতিবৃষ্টির ফলে সৃষ্ট বন্যায় ১০৫ গ্রামের বাড়ী ঘরের পাশা-পাশি ৭০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পানিবন্ধী হয়ে পড়ায় বন্ধ রাখা হয়েছে শ্রেণি কার্যক্রম। অন্যত্র ক্লাস নিচ্ছেন অনেক প্রতিষ্ঠান। এ কারণে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া দারুণ ভাবে ব্যহত হচ্ছে। খেলার মাঠে বন্যার পানি থই থই করায় শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছে লেখাধুলা থেকেও।সংশ্লিষ্ট স‚ত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৩৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি কলেজ, ৩১টি বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৪টি মাদ্রাসা বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। সম্প্রতি টানা বৃষ্টি ও নদ নদীর উপচে পড়া পানিতে কেশবপুর পৌরসভাসহ ১১টি ইউনিয়নের ১০৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়ে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস স‚ত্রে স‚ত্র জানাগেছে, কেশবপুরে ১টি সরকারি ডিগ্রি কলেজ, ৩১টি বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৪টি মাদ্রাসার মাঠে বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠে পানি উঠে আসায় লেখাপড়াও ব্যহত হচ্ছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এস এম জিল্লুর রশিদ বলেন, প্লাবিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। বন্যার পানিতে যে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছে তালিকা করে বরাদ্দ চেয়ে অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রব বলেন, ৩৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। পাঠদান ব্যহত হচ্ছে। স্কুলের মাঠ উঁচু করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট তালিকা প্রেরণ করা হয়েছে।উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির হোসেন বলেন,ইতিমধ্যে হরিহর,বুড়িভদ্রা ও আপারভদ্রা নদীর পলি অপসারণে খনন কাজ চলছে। দ্রুত পানি নিস্কাশন হবে।