আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এমন সময়ে সাংবাদিকদের ভূমিকা হওয়া উচিত ছিল সরকারের সহযোগী—স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে তথ্য আরো পড়ুন
দেশ যখন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করছে, ঠিক সেই মুহূর্তে রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক সংঘাত যেন আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। এর সাম্প্রতিক উদাহরণ—পাবনায় বিএনপি–জামায়াতের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষ, যেখানে এমপি প্রার্থীসহ
বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ইতিহাস যতটা গৌরবের, ততটাই রক্তাক্ত। অধিকারের দাবিতে প্রতিটি পর্যায়ের রাজনৈতিক আন্দোলনেই নতুন প্রজন্মকে দিতে হয়েছে ত্যাগ, পরিবার হারিয়েছে সন্তান, শহর ও গ্রাম সাক্ষী হয়েছে সহিংসতার। তাই আজও যখন
দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বল্প পুঁজির কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারীর ক্ষমতায়ন, বাণিজ্যিক খামার ও সহায়ক শিল্প গড়া, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনসহ সুস্থ, সবল ও মেধাবী জাতি গঠনে প্রাণিজ আমিষ যোগানে গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে রবিবার এক সৌজন্য সাক্ষাতে কমনওয়েলথের মহাসচিব শার্লি আয়োরকর বচওয়েক নির্বাচন কমিশনের চলমান প্রস্তুতি ও অগ্রগতির বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। বৈঠক শেষে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার এক জটিল কিন্তু অপরিহার্য অধ্যায়। এটা একটি গণতান্তিক জনঅধিকার বাস্তবায়নের মুলধারা। যদি সেটা সঠিক প্রয়োগ হয়। রাজনৈতিক ইতিহাসের সংকটময় মুহূর্তে এই ব্যবস্থার উদ্ভব, এবং সংকট
আবারও সেই আগুন সন্ত্রাসের সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি! ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে,দেশে নিরেপক্ষ সরকার রয়েছে কিন্তু আগুন সন্ত্রাস নির্মূল হয়নি। ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত দেশে ব্যাপক আগুন সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটে। ওই সময়
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচার খুনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রায়ের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক