সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৪:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ, পঞ্চগড় জেলা শাখার উদ্যোগে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে মাজার জিয়ারত ও শ্রদ্ধাঞ্জলি, শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণ জিয়াউর রহমানের আদর্শে দীক্ষিত হয়ে দেশ গঠনে সকলকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঈদে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো হুমকি নেই: র‌্যাব মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশ সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল জ্বালানি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জিয়ানগর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ফায়জুল কবির তালুকদার আর নেই

১২ লাখ কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

নিজস্ব সংবাদদাতা: / ৯৭ টাইম ভিউ
আপডেট : সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৪:৩১ অপরাহ্ন

১২ লাখ কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠক শেষে বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।তিনি বলেন, ‘সরকার তার নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর মূল লক্ষ্য হলো দরিদ্র কৃষকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৃষি খাতের মেরুদণ্ডকে শক্তিশালী করা।এ ঋণ মওকুফ করা হলে আনুমানিক ১২ লাখ কৃষক প্রত্যক্ষভাবে লাভবান হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। কৃষকরা ১০ হাজার টাকার ঋণ নেওয়ার পর এর ওপর যত টাকায় সুদ হোক আসল ও পুরো সুদ মওকুফ করা হবে বলেও জানান তিনি। ঋণ মওকুফ করা হলে দরিদ্র কৃষকরা যেভাবে উপকৃত হবেন সেই তথ্য তুলে ধরে নাসিমুল গনি বলেন, এর ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা ঋণের দায় থেকে মুক্ত হতে পারবেন যা তাদের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি করবে এবং দেশের কৃষিখাতে উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।মন্ত্রী পরিষদ সচিব বলেন, ‘ঋণের কিস্তি বাবদ যে অর্থ কৃষকের ব্যয় হতো, সেই অর্থ তারা উন্নত মানের বীজ বা আধুনিক সেচ প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করতে পারবেন। মাথার ওপর ঋণের বোঝা না থাকায় কৃষক পরবর্তী মৌসুমে নতুন উদ্যমে চাষাবাদ শুরু করতে সক্ষম হবেন।এই মওকুফ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কৃষকদের ক্রেডিট রেকর্ড বা ঋণমান ভালো হবে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘ফলে তারা ব্যাংক থেকে পুনরায় স্বল্পসুদে কৃষিঋণ গ্রহণ করতে পারবেন, যা তাদের স্থানীয় মহাজনি ঋণের উচ্চসুদের হাত থেকে রক্ষা করবে।ঋণের বোঝা কমে যাওয়ায় কৃষকরা শস্য, মৎস্য ও পশুপালন খাতে আরও উৎসাহিত হবেন। এতে করে জাতীয় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে।ঋণ মওকুফের প্রায় তাৎক্ষণিক প্রভাব হিসেবে গ্রাম থেকে নগরমুখী অভিবাসন কমবে এবং গ্রামীণ মূল্যস্ফীতি হ্রাস পাবে বলেও জানান তিনি।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, সরকারি বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংক এবং বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুদসহ কৃষকদের কাছে পাওনা রয়েছে প্রায় ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা যা এ মওকুফের আওতাভুক্ত হবে।উল্লেখ্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সরকারের ১৯৯১-৯৬ মেয়াদকালে ৫ হাজার টাকা কৃষি ঋণের সুদ-আসল মওফুফ করা হয়েছিল, যা কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর