বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
হাটহাজারীতে গোলা বিস্ফোরণে শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে কাল থেকে : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত হলে সকল সম্প্রদায়ের অধিকার নিশ্চিত হবে : রাষ্ট্রপতি কৃষিপণ্যের আমদানি কমাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শেখ হাসিনা ছিলেন বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী ও গুম-খুনের নির্দেশদাতা : স্পিকার আশুলিয়ায় চাঁদার দাবিতে সাংবাদিকের উপর হামলা , হত্যার হুমকিতে আতঙ্কে পরিবার আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নৌভ্রমণে সাংবাদিক-পরিবারের মিলনমেলা, ঐক্যের বার্তা মিরপুর প্রেসক্লাবের। সারাদেশে ৩ মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুরু কাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সীমান্তে মাদকের নতুন ‘হাব’ কামদিয়া: রাজনৈতিক প্রভাবে এখনো বেপরোয়া অপরাধ সাম্রাজ্য

বিশেষ প্রতিনিধি : / ৪৪ টাইম ভিউ
আপডেট : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন

দিন কিংবা রাত—সময়ের কোনো তোয়াক্কা নেই। গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সীমান্তঘেঁষা কামদিয়া গ্রামে অবাধে ঢুকছে বিষাক্ত মাদকের একটার পর একটা বড় চালান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়িয়ে সীমান্তসংলগ্ন হিলি ও জয়পুরহাটের চোরাই রুট ব্যবহার করে প্রকাশ্যেই চালানো হচ্ছে এই কারবার। কখনো বিলাসবহুল প্রাইভেটকার কিংবা বেপরোয়া মোটরসাইকেল, আবার কখনো গভীর রাতে দেশীয় ও বিদেশি অস্ত্রের ঝনঝনানিতে পায়ে হেঁটে মাদক পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে আস্তানাটিতে।
​সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে জানা যায়, ওই পরিবারটি এক সময় চরম অভাব-অনটনের মধ্য দিয়ে দিন পার করত। কিন্তু অতীতে আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় আসা এবং তাদের দোসরদের রাজনৈতিক প্রভাবকে ঢাল বানানোর পর থেকেই অলৌকিকভাবে বদলে যেতে থাকে তাদের দৃশ্যপট। রাতারাতি বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক বনে যায় পরিবারটি। তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত এক ব্যক্তি এবং তার পুরো পরিবার সরাসরি সেই বলয়ের দাপট দেখিয়ে এলাকায় একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে। তাদের রাজনৈতিক ও অপরাধমূলক প্রভাবের কারণে সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করা তো দূরের কথা, মুখ খুলতেও সাহস পেত না। সেই ক্ষমতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে পুরো কামদিয়া গ্রামটিকে পরিণত করা হয়েছে মাদকের মূল ‘পাইকারি আড়তে’। হিরোইন, ইয়াবা ও ফেনসিডিলের মতো প্রাণঘাতী মাদকের সরবরাহ সেখানে চলছে ২৪ ঘণ্টাই।
​স্থানীয়দের বিস্ফোরক অভিযোগ, এটি কেবল মাদকের আস্তানাই নয়; বরং সীমান্তভিত্তিক চোরাচালান ও বিভিন্ন দুর্ধর্ষ অপরাধীদের নিরাপদ ‘সেফ হাউস’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। অতীতে একাধিক মাদক ও অস্ত্র সংক্রান্ত মামলায় ওই সন্ত্রাসী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হলেও প্রতিবারই আইনের ফাঁক গলে জামিনে বেরিয়ে এসেছে। আর বের হয়েই আরও বেপরোয়া হয়ে পুনর্গঠন করেছে তার পুরনো সিন্ডিকেট।
​প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে আসা অপরাধী, মাদকসেবী ও খুচরা কারবারিদের আনাগোনায় পুরো এলাকায় এখন এক ভীতিজনক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। শূন্য থেকে কোটিপতি বনে যাওয়া এবং রাজনীতির আড়ালে থাকা এই ভয়ংকর অপরাধ সিন্ডিকেটকে চিরতরে গুটিয়ে দিতে এবং পুরো কামদিয়া এলাকাকে বিষমুক্ত করতে জেলা পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তাৎক্ষণিক সাঁড়াশি অভিযান দাবি করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর