রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
শেখ হাসিনা ছিলেন বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী ও গুম-খুনের নির্দেশদাতা : স্পিকার আশুলিয়ায় চাঁদার দাবিতে সাংবাদিকের উপর হামলা , হত্যার হুমকিতে আতঙ্কে পরিবার আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নৌভ্রমণে সাংবাদিক-পরিবারের মিলনমেলা, ঐক্যের বার্তা মিরপুর প্রেসক্লাবের। সারাদেশে ৩ মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুরু কাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠ থাকলে অনেক সমস্যা দূর হয়ে যায় : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. মঈন খান দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে দুদককে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মাননীয়’ সম্বোধন পরিহারের সিদ্ধান্ত নিজের দপ্তর থেকেই বাস্তবায়ন শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা ও অবক্ষয়মূলক কনটেন্ট প্রতিরোধই সরকারের লক্ষ্য: তথ্যমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

যশোরের কেশবপুরে অবৈধ প্যারামেডিকেল প্রতিষ্ঠান সিলগালা

মীর রাজিবুর হাসান নাজমুল : / ১১০ টাইম ভিউ
আপডেট : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন

যশোরের কেশবপুরে সরকারি অনুমোদন ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র ছাড়া প্যারামেডিকেল টেকনোলজি ফাউন্ডেশন (পিটিএফ) এর বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয় নামের প্রতিষ্ঠান সিলগালা করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।রবিবার (১০ মে২০২৬) দুপুরে যশোর জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. মাসুদ রানার নেতৃত্বে পরিচালিত এক অভিযানে কেশবপুর শহরের মাইকেল মোড়ে অবস্থিত প্যারামেডিকেল এন্ড টেকনোলজি ফাউন্ডেশন (পিটিএফ) বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয় নামের প্রতিষ্ঠানটিতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।সূত্র জানায়, সম্প্রতি বিভিন্ন অনিয়ম ও জাল সনদ বাণিজ্যের অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে একাধিক সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনের নজরে আসে প্রতিষ্ঠানটি। এর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জাল সনদ বিক্রি ও প্রতারণার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক এ.কে আজাদ ইকতিয়ারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন এবং প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেন।তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনিক নির্দেশনা উপেক্ষা করে গোপনে পুনরায় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিল চক্রটি।জানা গেছে, ২০১৬ সালে খুলনার জয়েন্ট স্টক থেকে প্রাথমিক অনুমতি নিয়ে কেশবপুরে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়। পরে স্বাস্থ্যখাতের বিভিন্ন কোর্সে প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদানের নামে অফিস পরিচালনা করে আসছে। যেখানে ডিএমএফ, ডিএমএ, ডিএমএস, ডিএইচএমসি, ডিএনএ, প্যাথলজি, আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও এক্স-রে ডেন্টাল ও নার্সিং সহ মোট ৫৬টি ট্রেডে সনদ দেওয়ার নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ বাণিজ্য করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।অভিযোগ আছে, প্রশিক্ষণের নামে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হতো। দেশ ব্যাপী গড়ে তোলা ১০৯টা প্রতিষ্ঠানে আকর্ষণীয় প্রচার-প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে বিভিন্ন জেলা-উপজেলার বেকার যুবকদের টার্গেট করে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছিল বলে জানা গেছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদান করতে হলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন বাধ্যতামূলক। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মো. মাসুদ রানা বলেন, “অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ করে সিলগালা করা হয়েছে।তিনি আরও জানান, বৈধ কাগজপত্র উপস্থাপন করতে না পারলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর