বঙ্গপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ছোটমাছুয়া গ্রামের ১২ জেলের মধ্যে ৭ জন ফিরে এলেও গত ১৩ দিনেও খোঁজ মেলেনি ৫ জেলের। নিখোঁজ ৫ জেলের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম থামছেনা তাদের কান্না। নিখোঁজ জেলেরা হলেন- ছোট মাছুয়া গ্রামের হাফেজ আলমের ছেলে বাহাদুর আলম (২২), উদ্ধত আলী আকনের ছেলে এমাদুল আকন (৫০), আতাহার শাহ এর ছেলে আল আজিম শাহ (৩০) মোসলেম হাওলাদারের ছেলে সালাম হাওলাদার (৪৮) ও পাশর্^বর্তী ভান্ডারিয়া উপজেলার জুনিয়া গ্রামের মোখলেস হাওলাদারের ছেলে আবদুর রহমান হাওলাদার (৫০)। বন্যার কবলে ডুবে যাওয়া ‘এফবি ভাই-ভাই’ নামের ট্রলারটির মালিক হলেন ছোট মাছুয়া গ্রামের নজরুল ইসলাম মাঝি।মহিপুর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে ফিরে আসা জেলেরা জানান, গত ২৬ জুন আমরা ১২ জেলে একত্রে একটি ট্রলার নিয়ে ছোট মাছুয়া থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে বঙ্গপসাগরে রওয়ানা হই। পটুয়াখালীর মহীপুর থেকে বরফ সহ প্রয়োজনীয় মালামাল নিয়ে সাগরে মাছ ধরে ৩০ জুন
রোববার রাতে ফেরার পথে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। একটি ট্রলারের লোকজন আমাদেও ৭ জনকে উদ্ধার করে মহিপুর হাসপাতালে ভর্তি করান। অন্য ৫ জনের খবর আজও কোন খোঁজ পাইনি।তুষখালী ৫ নং ওয়ার্ডেও ইউপি সদস্য মোঃ আলতাফ হোসেন বলেন, পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তিরাই কর্মের সন্ধানে যান। নিখোঁজ ৫ জেলে ফিরো না আসায় তাদের পরিবারে শোকের মাতম চলছে।এ বিষয়ে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা নিখোঁজ জেলেদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। তবে এ সময়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা আছে। ওই জেলেরা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। আমরা কোষ্টগার্ড ও নৌ-বাহিনীর কর্মকর্তাদের জানিয়েছি। নৌবাহিনী নিখোঁজদের উদ্ধারের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে।মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল কাইয়ূম জানান, সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ ৫ জেলেকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।