মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশীয় প্রযুক্তির ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন প্রস্তুতকারকদের সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামালের মামার মৃত্যুতে গভীর শোক তৃণমূলে সংগঠন শক্তিশালী রাখতে রংপুর বিভাগের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী

জিয়ানগরে অভাবের তাড়নায় ইউনিয়ন পরিষদের বারান্দায় ৩ শিশু সন্তান রেখে চলে গেলেন মা

কামরুল ইসলামজি য়ানগৌর (পিরোজপুর) প্রতিনিধি :  / ১০৪ টাইম ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ন

পিরোজপুর জেলার জিয়ানগরে এক পরিবারে বাবা আরেকটি বিয়ে করে নতুন বউকে নিয়ে ঢাকায় থাকেন। তাই তিন শিশু সন্তান নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন মা। স্ত্রী সন্তানদের ভরন পোষণ দিতেন না তিনি। এ অবস্থার মধ্যে সহায় সম্বলহীন অসহায় মা সন্তানদের মুখে তিন বেলা খাবার তুলে দিতে পারছেন না। আজ বুধবার জিয়ানগর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদের বারান্দায় এই অবুঝ তিন শিশু সন্তানকে রেখে মাও চলে গেছেন।

কোথায় চলে গেছেন তা কেউই জানেনা। সন্তানদের আশ্রয়স্থল মাও তাদেরকে ফেলে রেখে চলে যাওয়ায় কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছেন অবুঝ শিশুরা।
অভাবের তাড়নায় পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদের বারান্দায় তিন শিশু সন্তান রেখে চলে গেছেন মা মুক্তা বেগম (২৭)। আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মুক্তা বেগমের স্বামী আমান উল্লাহ প্রায় এক বছর আগে দ্বিতীয় বিয়ে করে অন্যত্র বসবাস শুরু করেন। এরপর থেকে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের কোনো খোঁজখবর নেননি। ফলে চরম অভাব-অনটনের মধ্যে তিন সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন মুক্তা।
বুধবার সকালে তিন সন্তান আরজিনি (৬), আছিয়া (৩) ও সাত মাস বয়সী খাদিজাকে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে আসেন তিনি। চেয়ারম্যান তার জন্য নাস্তার ব্যবস্থা করেন। পরে পরিষদের দোতলার বারান্দায় শিশু তিনটিকে রেখে তিনি নিখোঁজ হয়ে যান।
পরে শিশুদের কান্নাকাটি দেখে পরিষদের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করলেও বিকেল পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
জানা গেছে, মুক্তা বেগমের আয়ের একমাত্র উৎস ছিল একটি সেলাই মেশিন। কিন্তু এক হাজার টাকা দেনার দায়ে সেটিও নিয়ে যান পাওনাদার। এতে তিনি আরও অসহায় হয়ে পড়েন।
ইউপি সদস্য সাহিদা আক্তার পারুল জানান, পারিবারিক কলহ ও শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনের কারণে মুক্তার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল।
চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মঞ্জু বলেন, মুক্তার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করে আলাদা থাকেন। তার আয়ের একমাত্র সম্বল সেলাই মেশিনটিও নিয়ে নেওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।
জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে অসহায় এই পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর