বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশীয় প্রযুক্তির ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন প্রস্তুতকারকদের সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামালের মামার মৃত্যুতে গভীর শোক তৃণমূলে সংগঠন শক্তিশালী রাখতে রংপুর বিভাগের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী

কেলেঘাই নদীর উপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে গ্রামের শতাধিক পরিবাররা পারাপার হচ্ছেন।

রিপোর্টার, শম্পা দাস ও সমরেশ রায়। কলকাতা : / ২৪৫ টাইম ভিউ
আপডেট : বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৬ অপরাহ্ন

শনিবার। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার নারায়ণপুর এলাকায় ,কেলেঘাই নদীর ভরপুর জলের উপর দিয়ে নিয়মিত পারাপার হচ্ছেন গ্রামের ১০০ টি পরিবার,

নারায়ণগড়ের কুশবাগান অঞ্চলের কেলেঘাই নদীর উপর নেই স্থায়ী ব্রীজ, যার জেরে গ্রামের প্রায় ১০০ টি পরিবারের যোগাযোগ প্রায় বন্ধের মুখে, ফলে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন এপার থেকে ওপার পরিবারের মানুষজন। এছাড়াও সমস্যায় পড়েছেন বহু সংখ্যক মানুষ, তারা দাবী করেছেন, প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে বারবার দাবী রাখা হলো, এখনো পর্যন্ত তা কোন কার্যকরী হয়নি।

এর পরিপ্রেক্ষিতে কুশবাগান অঞ্চলের প্রধান টুম্পা রানী বাউল বলেন , আমরা ব্লকে ও জেলায় এ বিষয় নিয়ে জানিয়েছি , আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি এ বিষয়ে কাজ শুরু করার জন্য, আমরাও চাই সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধান হোক। তবে প্রশাসনের আধিকারিকদের সাথে যোগাযোগ করলে ক্যামেরার সামনে কেউ মুখ খুলতে চাইছেন না। তবে সমাধান করে দেয়া হবে খুব শীঘ্রই।

দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়েও যখন সেই কাজ হয়নি , তখন হতাশায় ভুগছেন এলাকার মানুষরা, যাতায়াতের এই দুর্দশা পূর্ণ পরিস্থিতির কবে অবসান হবে সেদিকেই তাকিয়ে এলাকাবাসী।, হাজার বিপদ থাকলেও কিছু করার নেই গ্রামবাসীদের, তাদেরকে এই ভাবেই যাতায়াত করতে হচ্ছে, বাড়ি ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা ঘরবন্দি।

 

কুমারটুলি পাড়ায় ,প্রতিমার কাজ শেষ করার তোর জোর চলছে, তার কুমার টুলির প্রতিমা শিল্পীদের।

বৃহস্পতিবার, বাঙালীর বড় উৎসব দুর্গাপুজো, আর মাত্র কয়েকটা দিন‌ বাকী, তার পরেই মেতে উঠবে কয়েকটি দিন পূজোর আনন্দে,

আর তারি আনন্দ দিতে তোর জোর চলছে কুমারটুলি পাড়ায় প্রতিমা শিল্পীদের, প্রতিমার কাজ শেষ করার। কথা‌ বলার মতো সময় হাতে‌ নায় , লেবার থেকে মালিক সবাই ব্যাস্ত, তাহার উপর বৃষ্টি প্রতিমা শিল্পীদের আরো হতাশ করে দিচ্ছে, থাকতে থাকতেই মুশুল ধারে বৃষ্টি নামায়, বার বার যেমন ছোট ছোট ঠাকুর বাইরে তোলা নামা করতে হচ্ছে, তেমনি বড় প্রতিমা গুলোনকে বার বার ঢাকা দিতে হচ্ছে এবং সাবধানে রাখতে হচ্ছে, কোনো ভাবেই যেনো প্রতিমার ক্ষতি না হয়, কারন উদ্যোক্তারা আর এক দুই দিনের মধ্যে প্রতিমা নিয়ে পারি দেবেন বিভিন্ন জেলায় ও ক্লাবে ক্লাবে।

একদিকে যেমন প্রতিমা শিল্পীরা ব্যাস্ত,‌ অন্যদিকে পূজা উদ্যোক্তারাও ব্যাস্ত তাদের প্যান্ডেলের কাজে, এমন কী বেশ কয়েকটি ক্লাবের উদ্যোক্তারা প্রতিমা নিতে হাজির হয়েছেন কুমারটুলিতে, এরকম বৃষ্টির মধ্যেও তাদেরকে প্রতিমা নিয়ে যেতে হবে, কারণ তারা প্রতিমা প্যান্ডেলে বসিয়ে তাদের প্যান্ডেলের কাজ শেষ করবেন। সঙ্গে প্রতিমা শিল্পীকেউ নিয়ে যেতে দেখা যাচ্ছে, যদি কোন রকম কিছু ঘাটে তাহলে প্রতি মাসে শিল্পীরা, সেটি ঠিক করে দেবেন

একদিকে যেমন প্রতিমা শিল্পীরা জানালেন, বারবার বৃষ্টির ফলে তাদের অনেকটাই কাজ আটকে গেছে প্রতিমার কাজ শেষ করতে।
অন্যদিকে একই কথা বললেন ক্লাব উদ্যোক্তারা, তাহারা জানালেন বৃষ্টির ফলে প্যান্ডেলের কাজ যেমন আটকে যাচ্ছে , তেমনি তাদের খরচাও অনেক বেড়ে যাচ্ছে, একদিকে প্রতি বছর প্রতিমার দাম বাড়ছে, অন্যদিকে প্যান্ডেলের খরচাও বেড়ে চলেছে, ফলে প্রতিবছর বাজেট অনেকটাই আমাদের বেড়ে যাচ্ছে, তবুও কয়েকটা দিন আনন্দ দেওয়ার জন্য আমরা চেষ্টা করছি, কিছুটা আনন্দ দেওয়ার। কিন্তু প্রতিমা শিল্পীরা জানালেন কিছু করার নাই, প্রতিবছর যে হারে সমস্ত জিনিসের দাম বাড়ছে, আমাদের কিনে আনতে হচ্ছে, বাধ্য হতে হয় দাম বাড়াতে।

রিপোর্টার , সমরেশ রায় ও শম্পা দাস , কলকাতা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর