শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
ঢাকার সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক জোরদার করতে চায় আঙ্কারা: তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউএনজিএ জয়ের কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের: পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে রোড শো করবে সরকার মৃত্যু: স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ডিএনডি বাঁধবিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত আগামী বাজেটের মূল লক্ষ্য দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন: অর্থমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হলেন খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন মূলধারার গণমাধ্যমের পেশা চর্চায় অনৈতিক বাধা মোকাবিলায় ‘জিরো টলারেন্স’ : তথ্যমন্ত্রী

কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় ইউপি দফাদার নিহত, বাবা গুরুতর আহত

এস এম আলমগীর হোসেন, কলাপাড়াঃ / ৮১ টাইম ভিউ
আপডেট : শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন

কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় মোঃ শাহজালাল হাওলাদার (৫০) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তাঁর বাবা হায়দার আলী হাওলাদার (৮০) গুরুতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে মহাসড়কের উমেদপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত শাহজালাল হাওলাদার লতাচাপলী ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার ছিলেন। তিনি লতাচাপলী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের খাজুরা গ্রামের বাসিন্দা।স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শাহজালাল হাওলাদার তাঁর বাবা হায়দার আলী হাওলাদারকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে কলাপাড়ায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। এ সময় ঢাকা থেকে আসা হানিফ পরিবহনের একটি বাস উমেদপুর এলাকায় তাদের মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়।দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় দু’জনকে উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শাহজালাল হাওলাদারকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁর বাবা হায়দার আলী হাওলাদারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।
এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

কলাপাড়ায় জ্বালানি–বিদ্যুৎ খাতের খসড়া মহাপরিকল্পনা বাতিলের দাবিতে প্রতিবাদ

এস এম আলমগীর হোসেন, কলাপাড়াঃ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনা ইপিএসএমপি-২০২৫ (২০২৬–২০৫০) খসড়া বাতিলের দাবিতে কলাপাড়ায় প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে নাগরিক সমাজের বিভিন্ন প্রতিনিধি সংগঠন।বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ২৫ বছর মেয়াদি জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনা অনুমোদনের উদ্যোগ নিলে এর বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টায় কলাপাড়া প্রেসক্লাবের সামনে এ প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।বক্তারা অভিযোগ করেন, খসড়া মহাপরিকল্পনাটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, স্বচ্ছতা ও জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়াই প্রণয়ন করা হয়েছে। পরিবেশ ও সামাজিক প্রভাব যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি এবং কোনো ধরনের জনশুনানি বা উন্মুক্ত পরামর্শ গ্রহণ করা হয়নি। একই সঙ্গে ডলারের রিজার্ভ রক্ষায় জ্বালানি খাতে এলএনজি নির্ভরতা ও বিলাসিতা বন্ধ করার আহ্বান জানান তারা।
প্রতিবেশ ও উন্নয়ন ফোরাম-পটুয়াখালীর আহ্বায়ক অমল মুখার্জির সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মো. নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন পরিবেশ কর্মী মেজবাহউদ্দিন মাননু, সাবেক কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম এবং প্রান্তজন ট্রাস্টের মাঠ সমন্বয়ক সাইফুল্লাহ মাহমুদ।এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া প্রেসক্লাবের সদস্য শরীফুল হক শাহীন, আমরা কলাপাড়াবাসী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভাপতি নাজমুস সাকিবসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।প্রান্তজন ট্রাস্টের মাঠ সমন্বয়ক বলেন, “এই দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় পরিকল্পনা প্রণয়নে জনগণ, নাগরিক সমাজ ও স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে। কোনো জনশুনানি ছাড়াই পরিকল্পনাটি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা পূর্ববর্তী সরকারের অস্বচ্ছ নীতির পুনরাবৃত্তি।”বক্তারা আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব নিয়মিত রাষ্ট্র পরিচালনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার কথা থাকলেও তারা একটি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ও বহুমাত্রিক প্রভাবসম্পন্ন জ্বালানি পরিকল্পনা গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে। এমনকি উচ্চ আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও অর্থবহ অংশগ্রহণমূলক পরামর্শ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।আলোচনায় জানানো হয়, মহাপরিকল্পনায় ‘এনার্জি ট্রানজিশন’-এর কথা বলা হলেও বাস্তবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রকৃত অংশ মাত্র ১৭ শতাংশ। গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো, দীর্ঘমেয়াদে এলএনজি, কয়লা ও তেলের ওপর নির্ভরতা এবং ব্যয়বহুল ও পরীক্ষামূলক প্রযুক্তির ব্যবহার দেশের অর্থনীতি ও পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন বক্তারা।প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে জানানো দাবিগুলো হলো—অবিলম্বে ইপিএসএমপি–২০২৫ স্থগিত ও সম্পূর্ণ বাতিল করতে হবে
নাগরিক সমাজ ও বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে স্বচ্ছ জাতীয় পরামর্শ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবেজীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভরতা কমিয়ে ১০০% নবায়নযোগ্য জ্বালানির বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ প্রণয়ন করতে হবেন্যায্য, সামাজিকভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানি রূপান্তরের ভিত্তিতে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবেবক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এসব দাবি উপেক্ষা করা হলে এই মহাপরিকল্পনা দেশের ইতিহাসে আরেকটি জনবিরোধী ও দায়মুক্তিমূলক নথি হিসেবে চিহ্নিত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর