শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৯:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
ঢাকার সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক জোরদার করতে চায় আঙ্কারা: তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউএনজিএ জয়ের কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের: পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে রোড শো করবে সরকার মৃত্যু: স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ডিএনডি বাঁধবিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত আগামী বাজেটের মূল লক্ষ্য দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন: অর্থমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হলেন খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন মূলধারার গণমাধ্যমের পেশা চর্চায় অনৈতিক বাধা মোকাবিলায় ‘জিরো টলারেন্স’ : তথ্যমন্ত্রী

ওএমএস কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার : অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ

নিজস্ব সংবাদদাতা: / ১১০ টাইম ভিউ
আপডেট : শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৯:০১ পূর্বাহ্ন

ট্রাকে করে নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য কম দামে কৃষিপণ্যের বিশেষ ওএমএস কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। চলতি জানুয়ারি থেকেই বিশেষ এই ওএমএস বন্ধ হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। মঙ্গলবার সচিবালয়ে ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন এই উপদেষ্টা। তিনি বলেন, বিশেষ ওএমএসের মাধ্যমে ৬৫০ টাকায় যে ১০টি কৃষিপণ্যের প্যাকেজ দেওয়া হত তা স্থগিত করা হয়েছে।ডিসেম্বরে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আর বাড়ানো হচ্ছে না। ১৫ অক্টোবর কৃষি ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই বিশেষ ওএমএস চালু করেছিল সরকার। ৮ লাখের বেশি মানুষ এই কার্যক্রমের সরাসরি সুবিধাভোগী ছিলেন।তিনি বলেন, বাজার সহনীয় রাখতে কাজ করছে সরকার।সালেহউদ্দিন বলেন, চালের দাম কিছুটা কমেছে। অন্যান্য পণ্যের দামও নিয়ন্ত্রণে আছে। সম্প্রতি যেসব সেবা ও পণ্যের ভ্যাট ও কর বাড়ানো হয়েছে তা আগামী বাজেটে সমন্বয় করা হবে। তবে সার্বিকভাবে ভ্যাট বৃদ্ধিতে বাজারে প্রভাব পরেনি বলে আবারো দাবি করেছেন অর্থ উপদেষ্টা।গত অক্টোবরে রাজধানীতে পাইলট প্রকল্প হিসেবে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ভর্তুকি মূল্যে সবজিসহ কৃষিপণ্য বিক্রি শুরু হয়। প্রতিদিন ঢাকার ২০টি এলাকায় এসব পণ্য বিক্রি করা হয়। সরকারের কৃষি বিপণন অধিদপ্তর এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে। এর আওতায় ৬৫০ টাকা প্যাকেজে দেওয়া হচ্ছিল ১০টি পণ্য। এর মধ্যে ছিল ডিম এক ডজন, আলু এক কেজি, পেঁয়াজ এক কেজি, পেঁপে এক কেজি, কুমড়া এক টুকরো, করলা এক কেজি, পটল এক কেজি, লাউ একটি, কচুরমুখি এক কেজি ও কাঁচা মরিচ এক কেজি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর