শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
ঢাকার সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক জোরদার করতে চায় আঙ্কারা: তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউএনজিএ জয়ের কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের: পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে রোড শো করবে সরকার মৃত্যু: স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ডিএনডি বাঁধবিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত আগামী বাজেটের মূল লক্ষ্য দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন: অর্থমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হলেন খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন মূলধারার গণমাধ্যমের পেশা চর্চায় অনৈতিক বাধা মোকাবিলায় ‘জিরো টলারেন্স’ : তথ্যমন্ত্রী

ইরানকে ‘উপযুক্ত সময়ে’ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের

ডেস্ক রিপোর্ট : / ৮৪ টাইম ভিউ
আপডেট : শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আবারও ইরানকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, প্রয়োজন মনে করলে নির্দিষ্ট সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে। রোববার Fox News-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তার ধারণা ইরান শেষ পর্যন্ত আলোচনায় ফিরতে বাধ্য হবে। তিনি দাবি করেন, তেহরানের হাতে এখন তেমন কোনো কৌশলগত সুবিধা নেই এবং চাপ বাড়লে তারা সমঝোতায় যেতে পারে। পরে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Truth Social-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি আরও কঠোর অবস্থান তুলে ধরেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনে সামরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সক্ষম। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে স্বল্প সময়ের মধ্যেই ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো—বিশেষ করে জ্বালানি খাত, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ও সেতু—লক্ষ্য করে হামলা চালাতে পারে। এদিকে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার অগ্রগতি নিয়েও তিনি মন্তব্য করেন। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ-এ দীর্ঘ সময় ধরে দুই দেশের মধ্যে বৈঠক হলেও তা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে বলে জানা গেছে। এই অচলাবস্থার পরই ট্রাম্পের নতুন এই বক্তব্য সামনে আসে।অন্যদিকে, তিনি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ Strait of Hormuz-এ চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর নজরদারি বাড়ানোর কথাও বলেন। তার দাবি, যেসব জাহাজ ইরানকে কোনো ধরনের অর্থ বা টোল প্রদান করবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের এই জলপথ দিয়ে বিশ্ব জ্বালানির একটি বড় অংশ পরিবাহিত হয়। ফলে সেখানে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর