ছাত্রজীবন হলো প্রতিটি মানুষের পুরো জীবনের ফাউন্ডেশন। এটাকে যেভাবে তৈরি করবে, জীবনটাও সেভাবে সাজবে। ছাত্রলীগ হলো মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংগঠন। তাই ছাত্রলীগের প্রতিটি নেতা-কর্মীকে যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। ছাত্রলীগকে আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে কাজ করতে হবে। তোমরা সততা ও ন্যায়-নিষ্ঠার সাথে তোমাদের দায়িত্ব পালন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। রবিবার লাকসাম উপজেলা ও পৌরসভা এবং মনোহরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এমপি। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী আরও বলেন, ছাত্রলীগের প্রতিটি নেতা-কর্মীকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মোতাবেক রাজনীতি করতে হবে। কেননা জননেত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্ব বর্তমানে সারা বিশ্ব এগিয়ে যাওয়ার মিশনে রয়েছে।স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, আগামী দিনে সমৃদ্ধ ছাত্রলীগ গঠন করতে যারা কাজ করবে, আমরা সকলে মিলে তাদেরকে নতুন নেতৃত্বে আনতে চাই। ভুল থেকে সংশোধিত হয়ে এগিয়ে যেতে হবে।সম্মেলনের উদ্বোধক ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিনহাজুল হাসান রাফি। অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের উপ-অটিজম বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ারুল কবির দিপু। প্রধান বক্তা ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইসরাফিল পিয়াস।লাকসাম পৌর অডিটরিয়াম হলে আয়োজিত সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন লাকসাম উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. ইউনুছ ভূঁইয়া, কুমিল্লা জেলা আইন সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আবু তাহের, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি তাবারক উল্লাহ কায়েস, লাকসাম পৌর মেয়র অধ্যাপক মো. আবুল খায়ের, গোবিন্দপুরর ইউপি চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন শামীম, কান্দিরপাড় ইউপি চেয়ারম্যান ওমর ফারুক, লাকসাম পূর্ব ইউপি চেয়ারম্যান আলী আহম্মদ প্রমূখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ছাত্রলীগ নেতা আমিনুল ইসলাম তুষার।সম্মেলনে লাকসাম উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে সালাউদ্দিন সানি, সাধারণ সম্পাদক আলম-আমিন রহমান এবং পৌরসভা ছাত্রলীগের কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মো. কাউছার আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ফেরদাউস আলম সৌরভ নির্বাচিত হন। এদিকে, মনোহরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কামরুজ্জামান শামীমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন বিপ্লবের পরিচালনায় সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মনোহরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাস্টার আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম, এলজিআরডি মন্ত্রীর উন্নয়ন সমন্বয়কারী মো. কামাল হোসেন, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক দেওয়ান জসিম উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক সেলিম কাদের চৌধুরী প্রমূখ।পরে আগত সকল নেতা-কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে মনোহরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদে ফয়সাল মাহমুদ ফাহাদ এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মেহেদি হাসানের নাম সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন দেওয়া হয়।