নিজেদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রক্ষাসহ সংখ্যালঘুদের উপর নিপীড়ন না করার অনুরোধ জানিয়ে বন্দরের বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শণ ও পদযাত্রা করেছে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোট নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। ৯ আগষ্ট শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকে তারা বন্দরের বেশ কয়েকটি মন্দির ঘুরে ঘুরে সেখানকার মহারাজ,পুরোহিতসহ বিভিন্ন পূণ্যার্থীদের খোঁজ-খবর নেন। নেতৃবৃন্দ চলমান প্রেক্ষাপটে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিচলিত না হওয়ার আহবান জানান। একই সাথে যে কোন প্রয়োজনে তাদেরকে অবহিতও করতে বলেন। গতকাল এ সকল কর্মসূচীতে অংশ নেন ছাত্র বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোট নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি সুজন চন্দ্র দাস,সহ-সভাপতি পার্থ সারথী রায়,অনিন্দ পাল,হৃদয় দত্ত,সাধারণ সম্পাদক প্রাণ কৃষ্ণ ভৌমিক,কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য খোকন সাহা,লালজিউর মন্দির কমিটির সভাপতি মন্টু চৌধুরী,সাধারণ সম্পাদক জ্যোতি চৌধুরী,বন্দর উদযাপন পরিষদের সদস্য সাধু গকুল চন্দ্র দাস,বন্দর বৃন্দাবন গোপাল জিউ বিগ্র মন্দিরের মহারাজ ব্রজ গোপাল চক্রবর্তী,গৌপানাথ মন্দির কমিটির সদস্য গোপাল সরকার,বন্দর বাজার দূর্গা মন্দির ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি উত্তম কুমার সাহা। পরিদর্শণকালে হিন্দু নেতৃবৃন্দ বলেন,যে সকল মন্দিরগুলোতে মুসলমান ধর্মের মুফতি-মাওলানারা যেভাবে আমাদের মন্দির পাহাড়া দিয়ে রাখছে তাদের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। মুসলমানরা মন্দির পাহাড়া দিয়ে আমাদেরকে ধন্য করেছেন। আমরা বিশ্বাস করি আমরা কে কোন ধর্মের সেটা বড় বিষয় নয় আমরা মানুষ আমরা বাঙালী এটাই আমাদের পরিচয়। বাঙালী জাতি হিসেবে হিন্দু,বৌদ্ধ,খ্রিষ্টান মুসলমান মিলে মিশে থাকতে চাই।

নিজস্ব সংবাদদাতা: পাড়া-মহল্লায় চাঁদাবাজী ও লুটতরাজ বন্ধের দাবিতে বন্দরে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন। ৯ আগষ্ট শুক্রবার সকাল ১০টায় বন্দর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের প্রধান ফটকের সামনে এ সকল কর্মসূচী পালিত হয়। শুরুতেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নারায়ণগঞ্জ জেলার সহ সমন্বয়ক ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সাবেক সভাপতি মুন্নী সরদারের সভাপতিত্বে বন্দর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। পরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বন্দরের অন্যান্য সমন্বনয়কদের অংশগ্রহণরত একটি বিশাল মিছিল ওই কর্মসূচীতে যোগ দেয়। এ সময় মিছিলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা চাঁদাবাজ ও লুটেরাদের বিরুদ্ধে নানা শ্লোগানে মুখরিত করেন। মিছিলটি বন্দর শহীদ মিনার হতে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বন্দর ঘাট হয়ে জেলা শহরের কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ নেয়। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে নিলয়,সাজ্জাদ, রিফাত হোসেন, মো: সোহানুর, তনিমা শারমিনসহ আরো লড়াকু যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা: ৯ আগস্ট শুক্রবার বাদ মাগরিব নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২৪ নং ওয়ার্ডের নবীগঞ্জ নোয়াদ্দা এলাকায় বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন যারা শহীদ হয়েছে তাদের রুহের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়ার আয়োজন করা হয়। উক্ত দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন এর ২৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্ব আবু কাউসার আশা। দোয়া অনুষ্ঠানে সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বন্দর থানা বিএনপির সদস্য মোঃহানিফ। তিনি বলেন,বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছে তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং আমরা সকল শহীদের রুহের বিনিময়ে নতুন এক স্বাধীন বাংলাদেশ পেলাম, জাতি তোমাদের কোনদিন ভুলবেনা,তোমরা জাতির মাঝে চির অমর হয়ে থাকবে। তিনি আরো বলেন, বন্দরের কুশিয়ারা এলাকার কৃতি সন্তান আমার সন্তানের সমতুল্য আবুল হাসান স্বজন বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে শহীদ হয়েছেন আমি তাঁর রুহের আত্মার মাগফিরাত কামনায় করি,আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাকে যেন ব্যহস্ত নসিব করেন। আপনারা সবাই তার ও তার পরিবারের জন্য দোয়া করবেন। উক্ত দোয়া অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি রাসেল,মোঃ রাজিব,মোঃ মোস্তাক মোঃ জাকির হোসেন,মোঃ ছালে মুহাম্মদ,মোঃ মিজান,মোঃ রনি,মোঃ মহসিন,মোঃ জাকির,মোঃ রিপন,মোঃ রাকিব,মোঃআজিজ মিয়া,মোঃ মুকুল,মোঃ আলমগীর ও নোয়াদ্দা এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন করতে যেয়ে যে সকল শহীদ হয়েছে তাদের রুহের আত্মার মাগফিরাত কামনায় করে দোয়া করা হয় ও কুশিয়ারা এলাকার সন্তান আবুল হাসান স্বজল শহীদ হন তার রুহের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া কামনা করা হয়। সকল শহীদেরকে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন শহীদীর মর্যাদায় ব্যহস্ত নসিব করেন।তাদের সকল শহীদ হওয়া পরিবারের জন্য ও দোয়া কামনা করা হয়।দোয়া পরিচালনা করেন নোয়াদ্দা মসজিদের ইমাম মোঃহাফেজ মাওলানা এম এ মামুন।
দোয়া শেষে সকলের মাঝে রান্না করা খিচুড়ি বিতরণ করা হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা: বাংলাদেশ মানবাধিকার কাউন্সিল বামাকা বন্দর থানা শাখার সাবেক উপদেষ্টা মফিজ প্রধান(৫৮) এর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাদ আছর মদনগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের কবরস্থানে জানাজা শেষে তাকে সমাহিত করা হয়। মফিজ প্রধান মদনগঞ্জ ইসলামপুর এলাকার মৃত মালেক প্রধানের ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ১ ছেলে ও ১ মেয়ে রেখে গেছেন। দাফনপূর্বক জানাজায় অংশ নেন বন্দর থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাব্বির আহমেদ সেন্টু, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোখলেছুর রহমান চৌধুরী,বামাকা’র সাবেক উপদেষ্টা ফয়সাল মোহাম্মদ সাগর,হাজী আলমগীর হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ শাহাবুদ্দিন,জাতীয় পার্টির নেতা আজিজুল হক আজিজ,বিএনপি নেতা মোহাম্মদ সেলিম,ইসলামপুর পঞ্চায়েত কমিটির কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন মাদবর,হোসেনুজ্জামান উজ্জলসহ এলাকার সর্বস্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।