"জয়পুর গোড়াচাঁদ ওয়াকফ এস্টেট" নওগাঁর সাপাহার উপজেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুর রশিদ (প্রভাষক- পোরশা সরকারি কলেজ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ২০১৫ হইতে ২০২৪ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন। আব্দুর রশিদ দায়িত্ব থাকা অবস্থায় প্রায় অনুমানিক ১,২০,০০০০০/- (এক কোটি বিশ লক্ষ টাকা) আয় করেন এবং ব্যয় করেছেন যার সম্পূর্ন হিসেব আব্দুর রশিদ এর কাছে।অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, ওই প্রতিষ্ঠানে নতুন কমিটি হয়েছে! নতুন কমিটির পক্ষ থেকে গত ১১ অক্টোবর জুম্মার নামাজের পর মসজিদের সম্মানিত খতিব মো: আনোয়ার হোসেন সহ আরো ৪ জন আব্দুর রশিদ এর বাড়িতে হিসেব নিতে গেলে খাতা ও হিসাব দিতে অস্বীকার করেন এবং হুমকী প্রদান করেন। পরবর্তীতে এ বিষয়কে কেন্দ্র করে কেউ আব্দুর রশিদ এর বাড়িতে গেলে চাঁদাবাজির মামলা দেওয়ার হুমকি প্রদান সহ ভয়ভীতি প্রদান করেন।আরো জানা গেছে, ওই সময় ০৩ দিনের মধ্যে খাতা, রেজিষ্টার ও ভাড়া আদায়ের মেমো সহ যাবতীয় আয়-ব্যয়ের হিসাব "জয়পুর গোড়াচাঁদ ওয়াকফ এস্টেট কমিটি" এবং গ্রামবাসীকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য অবগত করা হয়। কিন্তু তিনি সংগঠন ও গ্রামবাসীকে হিসেব বুজিয়ে দিচ্ছেন না।এ ঘটনায় সাপাহার থানায় গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে ওই গ্রামের মোজ্ফফর হোসেন এর পুত্র মো: সুমন বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।অভিযুক্ত আব্দুর রশিদ এর সাথে এ বিষয়ে ফোনে কথা বলতে চাইলে উনার স্ত্রী ফোন রিসিভ করেন। এ ঘটনায় যদি সংবাদ প্রকাশ হয় তাহলে আদালতে মামলা করবেন বলে প্রতিবেদক কে হুমকি প্রদান করেন।এ বিষয়ে সাপাহার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহফুজ হোসেন অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।