ঠিক দুপুর সাড়ে তিনটে, কয়েক হাজার, নারী-কুইর এবং ট্রান্স ব্যাক্তিদের দ্বারা অধিকার দখলের লড়াইয়ে বিশাল মিছিল ও প্রতিবাদ। বেশ কয়েকটি দাবি এবং ১৪ আগস্ট এর ঘটনার প্রতিবাদ , তাদের দিদি মৌমিতা দেবনাথের সঠিক বিচার।
কলেজ স্কোয়ার থেকে শুরু করে আর জি কর মেডিকেল কলেজের গেট পর্যন্ত স্তব্ধ করে দিলেন যান চলাচল, থাকতে থাকতে পুলিশ প্রশাসনের দিকে আঙ্গুল দেখিয়ে ধিক্কার, খুনি পুলিশ, বাংলার লজ্জা, প্রত্যেকে মোবাইলে আলো জ্বেলে প্রতিবাদ জানালেন, শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ে যখন মিছিল এসে পৌঁছায় পুলিশদের দিকে ছুঁড়ে বিভিন্ন ভাবে আক্রমণ করতে থাকেন, বলেন এই খুনি পুলিশ ১৪ তারিখের শান্তি মিছিল নষ্ট করেছে, পুলিশ ১৪ তারিখে ভাঙচুর করতে সাহায্য করেছে খুনিকে আড়াল করতে।
কিন্তু আমরা তা হতে দেব না যতদিন আমাদের দিদির সঠিক বিচার এবং দোষীরা শাস্তি না পাবে, আমরা তাদের ফাঁসি চাই।। আর যতদিন না আমাদের দাবি গুলি পূরণ করছে এ আন্দোলন থামবে না এ আন্দোলন আরো ভয়ংকর রূপ নেবে। কলকাতা নয় সারা দেশে এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়বে। আমরা মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ চাই। যিনি মেয়েদের রক্ষা করতে পারেন না, আজ যিনি শাস্তির নামে বিচার চাইছেন, প্রতিবাদে নেমেছেন, নাটক আমরা মানবো না। মিছিল যার অনেক আগে থেকেই আর জি করের গেটের সামনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
আমাদের দাবী...... আর জি কর মেডিকেল হাসপাতালে প্রতিবাদী ডাক্তার এবং ছাত্রদের উপর হামলা হল কেন জবাব চাই।
আর জি করের মহিলা ডাক্তার ও ছাত্রী এবং ধর্ষণ ও হত্যার শিকার, দোষীদের বিচার চাই।
সকল সরকারি হাসপাতালে দুর্নীতির অবসান চাই।
১৫ তারিখ রাতে ,আর জি কর এবং এন আর এস হাসপাতালে ভাঙচুর ও গুন্ডামী করার জন্য, দায়ী সকলকে গ্রেফতার করতে হবে।
সিবিআই দ্বারা আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষণ এবং হত্যার দ্রুত তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে, এবং তার ফলাফল জনগণের কাছে তুলে ধরতে হবে।
রাজ্য সরকারকে অবিলম্বে সমস্ত হাসপাতালে দুর্নীতি Raket পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে, তার ফলাফল সকলের সামনে তুলে ধরতে হবে।
যৌন ও শারীরিক নির্যাতন বন্ধ করতে হবে।
অগণতান্ত্রিক নির্বাচন নয়, সুষ্ঠু নির্বাচন প্রক্রিয়ায় মাধ্যমে, সমস্ত মেডিকেল কলেজে এবং কর্মক্ষেত্রে যথাযথ এবং কার্যকরী অভ্যন্তরীণ অভিযোগ কমিটি আইসিসি প্রতিষ্ঠা ও তৈরি করতে হবে।
সমস্ত দোষীদের কুকর্ম সকলের সামনে তুলে ধরতে হবে
সমস্ত সরকারি হাসপাতালে মেয়েদের সুরক্ষা দিতে হবে।
এই দাবীগুলি যতদিন না পূরণ হবে ,আমাদের আন্দোলন চলবে আমাদের দিদির জন্য। আমরা দিদির বিচার চাই।
রিপোর্টার সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা