কলাপাড়ায় পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দূর্নীতির সাথে জড়িত প্রধান দুই কর্মকর্তার গ্রেফতার ও একইসাথে ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও শিক্ষিত যুবকদের ৮ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন ও সড়কে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। রবিবার বিকেলে পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র সংলগ্ন লোন্দা সড়কে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের নারী-পুরুষ সদস্যরা এই কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় বক্তব্য রাখেন, রবিউল আউয়াল অন্তর, মোঃ শহিদুল ইসলাম প্যাদা, রেজাউল প্যাদা, মেহেদী হাসান ইলিয়াস, মোঃ আল আমিন, জাকির সর্দার, আবুল খাঁ, জাকির হাওলাদার, রুবেল মাহমুদ, বনি আমিন সিফাত, সুজন মৃধা, তানিয়া বেগম, বিলকিস, হাফেবা বেগম, হাফসা বেগম প্রমুখ।মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণের সময় তাদের প্রতি পরিবার থেকে কর্মক্ষম একজনকে চাকুরি দেয়ার কথা ছিলো। কিন্তু অদ্যবদী তাদের এ প্রতিশ্রুতি পূরণ করেনি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ। 
তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ ও পরিচালনায় জড়িত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এম খোরশেদুল আলম, প্লান্ট ম্যানেজার শাহ আব্দুল মাওলা কে দূর্নীতির দায়ে গ্রেফতার, ভূমি অধিগ্রহণকৃত পরিবারকে তিন গুন ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদান, ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যদের যোগ্যতা অনুযায়ী চাকুরী প্রধান, বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দূর্নীতি ও দেশের সম্পদ চুরির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন ও কমিটিতে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যদের রাখাসহ ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবি জানান। মানববন্ধনের আগে সড়কে অবস্থান নেন পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্তরা, এ সময় সেনাবাহিনী ও পুলিশ সড়কে অবস্থান নেওয়া পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্তদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে, এ সময় তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। পরে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্ষতিগ্রস্তরা মানববন্ধন করেন।

এস এম আলমগীর হোসেন, কলাপাড়াঃ ধানখালীতে ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লা ভিত্তিক পটুয়াখালী (আরএনপিএল) বিদ্যুৎকেন্দ্রে চুরির সাথে বিএনপি'র কোন সম্পৃক্ততা নাই এমন দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে ধানখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফিরোজ তালুকদার। রোববার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ধানখালীর ফুলতলী বাজার বিএনপি'র অফিস কার্যালয় এ সংবাদ সম্মেলন করেন। লিখিত বক্তব্যে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফিরোজ তালুকদার বলেন, গত ১৪ জানুয়ারী ২০২৫ তারিখে বিভিন্ন অনলাইন নিউজপোর্টাল সহ বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় বিদ্যুৎ প্লান্টে চুরি শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। ওই সংবাদ আমরা দেখতে পাই চুরির সাথে যারা জড়িত তাদের অনেককেই বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আমরা অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, এ চুরির সাথে বিএনপি'র কোন সম্পৃক্ততা নাই। ষড়যন্ত্রমূলক বিএনপি'র কিছু অঙ্গ সংগঠনের নাম দিয়ে মামলা করার ষড়যন্ত্রে কিছু লোক লিপ্ত রয়েছে। আমরা অত্যন্ত আস্থার সাথে বলছি, যদি বিএনপি'র কোন লোক জড়িত থাকে তাহলে দল তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করলাম। তিনি আরো বলেন, বিষয়টি একটি কুচক্রি মহল বিএনপি'র ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত এবং এ ঘটনার সাথে আমাদের দলের কোন নেতা কর্মীর সম্পৃক্ততা নাই। মিথ্যা ভিত্তিহীন সংবাদের জোড় প্রতিবাদ জানাই এবং মিথ্যা মামলায় যে সকল নেতা কর্মীর নাম জড়িয়ে হয়রানীমূলক মামলা করা হয়েছে তা প্রত্যাহারের দাবী জানান তিনি। এ সময় ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও ইউনিয়ন যুবদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।